এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়?

আপনি কি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে নিজের ঘরে বসে থেকে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে স্বল্প পরিশ্রমের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে চান? তাহলে আপনার চিন্তার কোন কারণ নেই। কারণ আজকে আমাদের এই আর্টিকেলটির মূল আলোচনায় হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? সেই সম্পর্কে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যবহুল ও প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হবে। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক!
এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়?
আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলটির মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? এ বিষয় সম্পর্কে এমন কিছু ইউনিক ও কার্যকরী তথ্য সম্পর্কে জানাবো, যেগুলিকে কাজে লাগিয়ে আপনি খুব সহজেই কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি কি আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য গুলো জানতে চান, তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি শুধুমাত্র আপনার জন্যই। এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে আশা করি আলোচ্য বিষয়ে বিস্তারিতভাবে নির্ভুল সব তথ্য গুলো জানতে পারবেন। ইনশাআল্লাহ!
পেজ সূচিপত্রঃ
.

ভুমিকা

সারাবিশ্বে বর্তমান সময়ে মানুষ অনলাইন মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে নিজ ঘরে বসে থেকেই একটু বুদ্ধি খাটিয়ে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো বর্তমান সময়ে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করার সব থেকে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম। তাই সারাবিশ্বে বর্তমান সময়ে মানুষ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখে অনেক মানুষই এটিকে তাদের পেশা হিসেবে গ্রহন করে আয়ের অন্যতম উৎস বানিয়ে নিয়েছে। 
তাই আপনিও যদি অন্যের গোলামী না করেই নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী মুক্ত পেশাজীবী হিসাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখে ঘরে বসে থেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? এ বিষয়ে পুরোপুরি ধারণা রাখতে হবে। তাই আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? এ বিষয় সম্পর্কে। 

এছাড়াও এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? মোবাইল দিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি সম্ভব? এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ কত পারসেন্ট কমিশন দেওয়া হয়? এ বিষয়গুলো সম্পর্কেও বিস্তারিত জানতে পারবেন। তাই আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য খুবই কার্যকরী।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

সাধারণত একটি বিপণন ব্যবস্থাপনা হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। সাধারণত বর্তমান সময়ে এই আধুনিক যুগে জনপ্রিয় বিভিন্ন মার্কেটিং প্রক্রিয়া গুলোর মধ্যে এফিলিয়েট মার্কেটিং অন্যতম। মূলত কোন কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ধরনের পণ্য তৃতীয় পক্ষ হয়ে সেই প্রোডাক্ট গুলো গ্রাহকদের কাছে বিক্রয়ের মাধ্যমে সেই প্রোডাক্ট গুলো গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে সহায়তা করা আর এর বিনিময়ে আপনি সেখান থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন প্রাপ্ত হবেন এটাই হচ্ছে মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। 

আমরা যদি আরো সহজ ভাবে বলতে চাই তাহলে এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানি কিংবা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস গুলো যে এফিলিয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিক্রয় করে সেটাই হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং। সাধারণত অনেক ব্যক্তিবর্গ রয়েছে যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এবং মার্কেটিং একইভাবেন, তবে এফিলিয়েট মার্কেটিং এবং মার্কেটিং সম্পন্ন ভিন্ন। 
উদাহরণস্বরূপ ধরুন যে আপনার নিজস্ব একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট রয়েছে সেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে বিক্রয় বৃদ্ধি পাশাপাশি মার্কেটিং এর যাবতীয় খরচ কমানো নিয়ে ভাবছেন। এখন আপনার এই পরিস্থিতিতে একজন এফিলিয়েট মার্কেটার আপনার ব্যবসায় সৌভাগ্য বয়ে আনতে পারে। শুধুমাত্র আপনাকে সেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারকে মার্কেটিং এর বিনিময়ে কিছু অর্থ প্রদান করতে হবে। 

আর এর বিনিময়ে একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার আপনার কোম্পানি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট এর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার মাধ্যমে সেল বৃদ্ধি করে দেবে। এতে করে মার্কেটিং করার জন্য আপনার যে এক্সট্রা একটা খরচ হতো সেটা আপনি অল্প কিছু টাকার বিনিময়ে বেঁচে যাবেন। এতে করে আপনার সেল বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি আপনার মার্কেটিং এর খরচ কমে যাবে। সাধারণত বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বিভিন্ন কোম্পানি বিদ্যমান রয়েছে যেমন আমাজন, 

ফ্লিপকার্ট, ইবে, আলি-এক্সপ্রেস ইত্যাদি। মূলত এই কোম্পানি গুলো বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা বিক্রয়ের মাধ্যমে প্রতি বছর খুবই ভালো পরিমাণে টাকা আর্নিং করছেন। সাধারণত বর্তমান সময়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে একটি ব্যবসায়িক কৌশল যেখানে আপনারা কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর প্রচার-প্রচারণা করে তা বিক্রয়ের মাধ্যমে সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়?

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়?
সাধারণত বর্তমান সময়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রচুর মানুষ অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে খুবই ভালো পরিমাণে প্রতি মাসে টাকা আর্নিং করছেন। প্রিয় পাঠক আপনি যদি একজন সফল এফিলিয়েট মার্কেটার হতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে কিছু ইউনিক ও কার্যকরী কৌশল গুলো অবলম্বন করে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হবে। তবেই আপনি একজন সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পারবেন।
মূলত একজন সফল এফিলিয়েট মার্কেটার হওয়ার জন্য কোনরকম দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না, শুধুমাত্র অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ করার জন্য কিছু ইউনিক ও কার্যকরী কৌশল অবলম্বন করতে হবে, আর এই জন্যই মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনেক জনপ্রিয়। সাধারণত এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য অডিয়েন্স তৈরি করতে হবে এর ফলে আপনি এখান থেকে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারবেন পাশাপাশি আপনি আপনার আরো অন্যান্য ব্যবসা গুলো আকৃষ্ট করতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে এমন একটি মার্কেটিং যেখানে আপনার নিজস্ব কোন প্রোডাক্ট থাকবে না, আপনাকে অন্যের প্রোডাক্ট প্রমোট করতে হবে। আপনাকে এমন প্রডাক্ট প্রমোট করতে হবে যেগুলোর বিষয়ে অডিয়েন্সদের আগ্রহ বেশি রয়েছে। আর সেই প্রোডাক্ট গুলো আপনি যতো বিক্রয় করতে পারবেন সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন প্রাপ্ত হবেন। 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে আপনি আপনার নিজের পছন্দ ও সুবিধা অনুযায়ী সময়সূচী নির্ধারণ করে যেকোন জায়গায় অবস্থান করে অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে কাজ করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি আপনার নিজের পছন্দ অনুযায়ী প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের প্রচার-প্রচারণা করতে পারবেন। সাধারণত বর্তমান সময়ে অনেক ব্যবসা রয়েছে যেগুলো শুরু করার জন্য প্রথমে টাকা ইনভেস্ট করা লাগে। 

তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে খুবই সামান্য টাকা ইনভেস্ট করতে প্রয়োজন হতে পারে। মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে কোন রকম স্টক ম্যানেজ করার প্রয়োজন হবে না, কোনরকম প্রোডাক্ট তৈরি করতে হবে না, ডেলিভারি করার কোন ঝামেলা থাকবে না, শুধুমাত্র আপনাকে অন্যের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রচার-প্রচারণা করে, সেল করে দিতে হবে, এটুকুই আপনার মূল কাজ। 

আপনি যদি নিজেকে একজন সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, তাহলে আপনি এখান থেকে প্রতি মাসে খুবই ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাই জন্য অযথাই ঘরে বসে সময় নষ্ট না করে আপনার মূল্যবান সময়গুলোকে কাজে লাগিয়ে আজই এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করে দিন। আর এখান থেকে খুবই ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করুন, আর নিজে সাবলম্বী হোন।
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সহজে শুরু করা যায়ঃ সাধারণত বর্তমান সময়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ শুরু করা অনেক সহজ। শুধুমাত্র আপনাকে প্রথমে নির্ধারণ করতে হবে আপনি কোন জায়গায় একিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান। আপনি এমন বিষয় নিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান আগ্রহ দুটাই রয়েছে। তারপর আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে আপনি কোন মিডিয়ায় এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ করতে চান। সেটা যে কোন এফিলিয়েট ওয়েবসাইট হতে পারে, সোশ্যাল মিডিয়া হতে পারে, ব্লগ বা ভিডিও এর মাধ্যমে হতে পারে ইত্যাদি।
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে খরচ কমঃ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে খুবই অল্প পরিমাণে টাকা খরচ হয়। প্রিয় পাঠক আপনারা চাইলে নিজে নিজে ভিডিও তৈরি করে আপনার ইউটিউব চ্যানেল বা ইনস্টাগ্রামে আপলোড করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি যদি ওয়েবসাইটে ব্লগের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান, সেক্ষেত্রে আপনার কিছু টাকা খরচ হবে। আপনি যদি মনে করেন এমন একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান, যে প্লাটফর্মে খুবই অল্প পরিমাণে টাকা খরচ হবে। যেখানে খুবই অল্প খরচ হবে এরকম প্লাটফর্মে আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন যেমন ওয়ার্ডপ্রেস।
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং চাহিদা পূরণঃ বর্তমান সময়ে কাস্টমার যদি কোন প্রোডাক্ট বা সেবা ক্রয় করে, সেক্ষেত্রে সেগুলোর সার্চ দিয়ে রিভিউ দেখে। এছাড়াও তারা একই প্রোডাক্টের রিভিউ প্রাইস এর সকল বিষয় তুলনা করেন,অন্য পেজের প্রোডাক্টের সাথে। এখন আপনি যদি আপনার সেই প্রোডাক্ট গুলোর রিভিউ আপনার পেজে দিয়ে রাখেন, তারা রিভিউ দেখে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে কিংবা ওয়েবসাইটের লিঙ্কে গিয়ে অবশ্যই প্রোডাক্ট ক্রয় করবে। আর এর বিনিময়ে আপনি সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন।
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কোনরকম কোয়ালিফিকেশনের প্রয়োজন হয় নাঃ প্রিয় পাঠক সাধারণত আমরা যদি কোন জায়গায় জব করতে যাই, সেক্ষেত্রে আমাদের যোগ্যতার প্রয়োজন হয়। তবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে কোন রকম নির্দিষ্ট শিক্ষা লেভেল বা অভিজ্ঞতার প্রয়োজন লাগবে না। এখানে শুধুমাত্র আপনার কাজ করার জন্য ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে এবং সাইট মেন্টেন করার দক্ষতা, লাগবে কন্টেন্ট ক্রিয়েট করার দক্ষতা লাগবে, যেন কাস্টমারা এনগেজ হয়।
  • কাজের লাইফ ব্যালেন্সঃ প্রিয় পাঠক আপনি যদি একজন সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেট আর হতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কত সময় কাজ করবেন এবং কখন কাজ করবেন। আপনাকে ডিসাইড করতে হবে আপনি আপনার কাজ এবং আপনার পরিবার দুটোকে একসাথে ব্যালেন্স করতে পারবেন কিনা। মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যে কোন স্থানে অবস্থান করে সম্পন্ন করা যায়। এটি মূলত একটি স্বাধীন কাজ। যেখানে আপনি আপনার ইচ্ছামত লাইফ ব্যালেন্স করতে পারবেন।
  • প্যাসিভ আর্নিংঃ সাধারণত বর্তমান সময়ে প্যাসিভ আর্নিং হচ্ছে খুবই কমন একটি শব্দ, যা মূলত মানুষের মুখে মুখে শোনা যায়। বর্তমান সময়ে প্যাসিভ আার্নিং খুবই জনপ্রিয়। মূল কাজের পাশাপাশি বর্তমান সময়ে অনেকেই প্যাসিভ আর্নিং করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি খুজে থাকেন, তাদের জন্য মূলত প্যাসিভ আর্নিং করার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হতে পারে সবচেয়ে বেস্ট। একই কাজ বারবার না করে, একবার কাজ করে, সেখান থেকে যে টাকা আয় করা যায় সেটাই মূলত হচ্ছে প্যাসিভ ইনকাম। প্রিয় পাঠক বর্তমান সময়ে আপনারা আপনাদের মূল কাজের পাশাপাশি এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।
  • রিস্ক কমঃ সাধারণত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে কোন রকম রিস্ক থাকে না। শুধুমাত্র আপনাকে প্রথমে সঠিক একটি নিস নির্ধারণ করতে হবে। আর বিভিন্ন ইউনিক ও কার্যকরী কৌশল অবলম্বন করে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হবে। তাহলে আপনারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে খুবই ভালো পরিমাণে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।
  • মার্কেটে প্রবেশ করাতে বাঁধা কমঃ সাধারণত বর্তমান সময়ে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম গুলোতে সাইন আপ করা বেশ সহজ। তারা আপনাকে মূলত একটি ফরম পূরণ করতে বলবে, আপনি যদি ফর্মটা সুন্দরভাবে পূরণ করেন, তাহলে আপনাকে তারা অটো এপ্রুভাল দিয়ে দেবে। কিন্তু আপনারা ভালোভাবে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামের টার্মস এন্ড কন্ডিশন গুলো ভালোভাবে পড়ে নিবেন। কেননা এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কিছু রুলস ও বিধি নিষেধ মেনে চলতে হয়, আর সেগুলো টার্মস এন্ড কন্ডিশনে দেওয়া রয়েছে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো?

সাধারণত বর্তমান সময়ে মূল কাজের পাশাপাশি প্রত্যেক মানুষেরই অতিরিক্ত আয়ের উৎস খুঁজে বের করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই অবিশ্বাস্য অসীম সম্ভাবনাময় দরজা খুলে দিয়েছে বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট। মূল কাজের পাশাপাশি আমাদের আয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনারা আপনাদের ক্যারিয়ার ঘরে বসে খুব সহজেই গড়তে পারবেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বর্তমান সময়ে যেমন খুবই জনপ্রিয়, ঠিক তেমনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সাধারণত বর্তমান সময়ে অনলাইন প্লাটফর্মে ইনকাম করার জন্য যতোগুলো জনপ্রিয় মাধ্যম রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে সফলতা অর্জন করার জন্য প্রত্যেক মানুষেরই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। অ্যাফিলিয়ে টমার্কেটিং কিভাবে শুরু করব এই সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো।
  • আগ্রহের বিষয় সিলেকশন পাশাপাশি সঠিক নিশ সিলেক্টঃ প্রিয় পাঠক আপনি কি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে সফলতা অর্জন করতে চান, সেক্ষেত্রে যে বিষয় গুলোর প্রতি আপনার আগ্রহ রয়েছে যেমন ফ্যাশন, ভ্রমণ, প্রযুক্তি, খাদ্য এই রকম একটি নিশ নির্বাচন করে, আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। একটা বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে আপনার জ্ঞান পাশাপাশি অভিজ্ঞতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি নিশ নির্বাচন করার চেষ্টা করবেন। আপনার যদি সে বিষয়ে আগ্রহ থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি সুন্দর সুন্দর মানসম্মত কোয়ালিটি ফুল কন্টেন্ট বানাতে পারবেন। আর তখন আপনার কাছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনেক সহজ মনে হবে। অ্যাফিলিয়েট নিশ সিলেকশনে আপনার যেসব বিষয় জানা অত্যন্ত জরুরী সেগুলো হলো আপনার আগ্রহ রয়েছে এরকম একটি নিশ নির্বাচন করুন, এরপর আপনার নির্বাচিত নিশ টিতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি লাভজনক হবেন কিনা সেই বিষয়ে খুবই ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করুন, এরপর আপনাকে রিসার্চ করতে হবে যে আপনার টার্গেট অডিয়েন্স কারা রয়েছে, এরপর আপনাকে জানতে হবে আপনার নির্বাচনকৃত নিশে কেমন প্রতিযোগিতা রয়েছে, যে সকল ট্রেনিং বিষয় রয়েছে সেগুলোতে অবশ্যই আপনাকে নজরদারি করতে হবে, এছাড়াও আপনাকে খুবই ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে আপনার নির্বাচনকৃত নিশে মানুষ প্রোডাক্ট কিনবে কিনা। আপনি ব্লগিং করুন কিংবা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করুন আপনার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক নিশ নির্বাচন করা। তাহলেই আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে সফলতা অর্জন করতে পারবেন।
  • বিশ্বস্ত অ্যাফিলিয়েট প্ল্যাটফর্ম নির্বাচনঃ প্রিয় পাঠক আপনার যখন একটি সঠিক নিশ নির্বাচন করা হয়ে যাবে, তখন আপনাকে দ্বিতীয় ধাপের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। দ্বিতীয় ধাপের কাজটি হচ্ছে আপনার নির্বাচনকৃত নিশের সাথে মানানসই এই রকম একটি বিশ্বস্ত ও জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম খুঁজতে হবে। সাধারণত বর্তমান সময়ে অনেক অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম রয়েছে যেমন ShareASale, Amazon Associates, ClickBank ইত্যাদি। এছাড়াও অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নির্বাচন করার পর খেয়াল রাখতে হবে প্রোডাক্ট সেল করার বিনিময়ে তারা আপনাকে কত পার্সেন্ট কমিশন প্রদান করবে, সম্পূর্ণ পেমেন্ট তারা আপনাকে সততার সহিত প্রদান করছে কিনা, আপনি তাদের সাথে এফিলিয়েট প্রোগ্রামে কাজ করে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবেন কিনা প্রভূতি।
  • ওয়েবসাইট তৈরি এবং ব্লগ পোস্ট করাঃ উপরের সকল নিয়মাবলী মেনে আপনাকে একটি সঠিক নিশ নির্বাচন করতে হবে। তারপর নিশের সাথে মানানসই একটি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম খুঁজে বের করতে হবে। তারপর আপনার নির্বাচনকৃত নিশের সাথে সম্পর্কিত একটি ওয়েবসাইট ক্রিয়েট করতে হবে। যে ওয়েবসাইটে আপনি প্রতিদিন নিয়মিত মানসম্মত ও কোয়ালিটি ফুল কন্টেন্ট পাবলিশ করতে পারবেন। কনটেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে অডিয়েন্সদের পছন্দের দিকে খেয়াল রেখে কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। যেন আপনার ওয়েবসাইট থেকে অডিয়েন্সরা প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কেনার প্রতি আগ্রহী হয়। এজন্য আপনার ওয়েবসাইটকে সুন্দর ও আকর্ষণীয়ভাবে ডিজাইন করতে হবে। আর আরেকটি কথা অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটটি মোবাইল ফ্রেন্ডলি করতে হবে।
  • অ্যাফিলিয়েট লিংক সেটআপঃ প্রিয় পাঠক আপনার ওয়েবসাইটে যে প্রাসঙ্গিক সেকশন গুলো রয়েছে সেগুলোতে অ্যাফিলিয়েট লিংক যুক্ত করতে হবে। তবে অবশ্যই এই অ্যাফিলিয়েট লিংক গুলো যুক্ত করার সময় অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করে, যথেষ্ট স্বচ্ছতা বজায় রেখে, অ্যাফিলিয়েট লিংক গুলো বসাবেন, যেন খুব সহজেই ভিজিটররা বুঝতে পারে আপনি অ্যাফিলিয়েট লিংক যুক্ত করেছেন। আর এখান থেকে ভিজিটররা কেনাকাটা করলেই আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন প্রাপ্ত হবেন। কখনোই ভিজিটরদের চাপ প্রয়োগ করে, ধামাকা অফার প্রদান করে, লিংকে ক্লিক করতে বলবেন না। আপনি যদি এরকম করেন, তাহলে ভিজিটেরা আপনার প্রতি বিশ্বাস হারাবে, ফলে আপনার ওয়েবসাইটে রিটার্নিং ভিজিটর দিন দিন কমতে থাকবে। এগুলো করলে আপনারই ক্ষতি তাই এগুলো করা থেকে বিরত থাকুন।
  • ডিজিটাল মার্কেটিংঃ আপনি যে কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানে কাজ করুন না কেন? আপনি যদি এফিলিয়েট প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হন, তাহলে আপনাকে আপনার কনটেন্ট গুলোর যথাযথ মার্কেটিং করতে হবে। আপনার করা মার্কেটিং যতো ভালো হবে, আপনি যতো অডিয়েন্স টার্গেট করতে পারবেন, আপনার সেখানে ততো বেশি সেল হবে। মার্কেটিং করার বিনিময়ে আপনি সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। সাধারণত মার্কেটিং দুইটি পদ্ধতিতে করা যায় ফ্রি মার্কেটিং, পেইড মার্কেটিং। প্রিয় পাঠক আপনি যদি কোন প্রকার অর্থ প্রদান না করে মার্কেটিং করতে চান, তবে আপনাকে অবশ্যই নিখুঁত ও সুন্দরভাবে এসইও এর কাজ করতে হবে। কেননা বিনামূল্যে টার্গেট করা অডিয়েন্সদের কাছে খুব সহজেই পৌঁছানো সম্ভব হয় এসইও করার মাধ্যমে। কিন্তু আপনি যদি পেইড মার্কেটিং করতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে অর্থ ব্যয় করে মার্কেটিং প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। আপনি ফ্রি মার্কেটিং অথবা পেইড মার্কেটিং যে পদ্ধতিতেই মার্কেটিং করুন না কেন? আপনাকে সঠিকভাবে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে তাহলে আপনি সফলতা পাবেন।

মোবাইল দিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি সম্ভব?

সাধারণত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে একটি ইংরেজি শব্দ, যা বাংলায় রূপান্তরিত করলে হয় বিপণন ব্যবস্থাপনা। বর্তমান সময়ে মোবাইল শুধুমাত্র একটি ডিভাইস নই, বরং এটির মাধ্যমে এখন টাকা আয় করা যায়। সাধারণত বর্তমান সময়ে এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ অংশ হয়ে গেছে স্মার্টফোন। বর্তমান সময়ে প্রায় প্রত্যেক মানুষেরই হাতে হাতে স্মার্টফোন। কেনাকাটা থেকে শুরু করে যোগাযোগ, বিনোদন, সবকিছুই এখন আমাদের হাতের মুঠোয় হয়ে গেছে। 
অনেকেই প্রশ্ন করে মোবাইল দিয়ে কি এফিলিয়েট মার্কেটিং করা সম্ভব? হ্যাঁ প্রিয় পাঠক অবশ্যই সম্ভব। আপনি চাইলে ঘরে বসে খুব সহজেই আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে খুবই ভালো পরিমাণে টাকা আর্নিং করতে পারবেন। আবার অনেক মানুষ রয়েছে যারা মনে করে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা সম্ভব নয়, তবে এ ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। 

বর্তমান সময়ে অনেক বৈধ উপায় বিদ্যমান রয়েছে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার। অনেক মানুষ মোবাইল ব্যবহার করে খুবই ভালো পরিমানে টাকা আর্নিং করছেন। মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করা যায় যেমন ফ্রিল্যান্সিং করে, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট, ইউটিউব কনটেন্ট ক্রিয়েশন, অনলাইন টিউটরিং, ড্রপশিপিং, মাইক্রোটাস্ক সম্পাদন, এফিলিয়েট মার্কেটিং, প্যাসিভ ইনকাম অ্যাপস ইত্যাদি।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধা
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা আয় করা যায়। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কোন রকম অভিজ্ঞতা বা দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা আই করার জন্য কোনরকম প্রোডাক্টের প্রয়োজন নেই। অন্যের প্রোডাক্ট আপনি অনলাইন প্লাটফর্মে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে বিক্রয় করে দিতে পারলেই আপনি সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। 

সাধারণত বর্তমান সময়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে ঘরে বসে খুব সহজেই প্যাসিভ ইনকাম করা যায়। প্রিয় পাঠক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ সম্পূর্ণ আপনি আপনার নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন। আপনি কোন সময় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন নিজেই সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী যে কোন সময় এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। 
আরেকটা মজার বিষয় হচ্ছে ব্লগ বা ইউটিউব ছাড়াও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা সম্ভব। এছাড়াও এফিলিয়েট মার্কেটিং করার সময় কোন রকম ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হয় না। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করার কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই। আপনি যতো প্রোডাক্ট সেল করতে পারবেন, আপনার আয় ততো বেশি হবে। 

অনেক সময় দেখবেন একদিনে অনেক প্রোডাক্ট সেল হয়েছে, আবার আরেকদিন কম হতে পারে এটা কোন ব্যাপার না। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সবচেয়ে দারুন বিষয় হচ্ছে আপনি যদি একবার কন্টেন্ট বানিয়ে তার মধ্যে অ্যাফিলিয়েট লিংক যুক্ত করে দেন, যতোবার সেই কনটেন্টে এর লিঙ্কে মানুষ প্রোডাক্ট কিনবে ততোবারই আপনি সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। এখানে আপনাকে কোনরকম পরিশ্রম করা লাগবে না।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ কত পারসেন্ট কমিশন দেওয়া হয়?

সাধারণত বর্তমান সময়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মার্কেটিং হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রচুর মানুষ অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে খুবই ভালো পরিমাণে টাকা আয় করছেন। সাধারণত প্রোডাক্টের মূল্যের উপর এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কমিশন নির্ভর করে। মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কমিশন ৫%-৭০%পর্যন্ত প্রদান করা হয়ে থাকেন। বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন বাজেটে তাদের প্রোডাক্ট সেল করে থাকেন। অ্যাফিলিয়েট প্ল্যাটফর্ম ভেদে কমিশনের কিছু তারতম্য কম-বেশি হতে পারে। তবে একেক কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের পারসেন্ট ভিন্ন ভিন্ন।

লেখকের ইতি কথাঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়?

সম্মানিত পাঠক, আশা করি উপরোক্ত আলোচনা গুলো থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? এ বিষয় সম্পর্কে পুরোপুরি বিস্তারিতভাবে জানতে পেরেছেন। সারাবিশ্বে বর্তমান সময়ে মানুষ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখে নিজ ঘরে বসে থেকেই একটু বুদ্ধি খাটিয়ে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে খুব স্বল্প পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব। তবে এ বিষয়ে আপনাকে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। 

তাই এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? এই আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়ে উল্লেখিত বিষয়গুলো জেনে নিলে আপনি খুব সহজেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে দ্রুত সময়ে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনার অবস্থানকে পরিবর্তন করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে তাহলে আপনি খুব দ্রুতই সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন।

সম্মানিত পাঠক, এতক্ষণ আমাদের সাথে থেকে এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগের সাথে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে এ ধরনের তথ্যবহুল কার্যকরী ও উপকারী আর্টিকেল নিয়মিত পোস্ট করে থাকি। তাই আপনি যদি এ ধরনের আরও তথ্যবহুল ও উপকারী সব আর্টিকেল পড়তে চান, তাহলে অবশ্যই এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ফলো করুন। সাথে সাথে এ আর্টিকেলটি পরে ভালো লাগলে আপনার নিকট আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার-পরিজনদের কাছে তাদের উপকারার্থে শেয়ার করে দিন। 

যেন তারা এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? এ বিষয় সম্পর্কে পুরোপুরি ভালোভাবে জেনে নিতে পারে। এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? - এফিলিয়েট মার্কেটিং কেন জনপ্রিয়? এ বিষয় সম্পর্কে আপনার যদি কোন গুরুত্বপূর্ণ মতামত বা প্রশ্ন থাকে, তাহলে অবশ্যই নিচে দেওয়া মতামত বক্সে কমেন্ট করতে ভুলবেন না। আবার আপনাদের সাথে কথা হবে নতুন কোন আর্টিকেল নিয়ে ততক্ষণ পর্যন্ত নিরাপদ ও সুস্থ থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

কনফিডেন্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url