প্যাসিভ ইনকাম কি? ১৯টি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স - প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়?
আপনি কি স্বল্প পরিশ্রমে অল্প মেধা খাটিয়ে খুব সহজেই ঘরে বসে অনলাইনে কিছু ইউনিক
পদ্ধতি অবলম্বন করে প্যাসিভ ইনকাম করতে চান? তাহলে আপনার চিন্তার কোন কারণ নেই।
কারণ আজকে আমাদের এই আর্টিকেলটির মূল আলোচনায় হচ্ছে প্যাসিভ ইনকাম কি? ১৯টি
প্যাসিভ ইনকাম সোর্স - প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়? সেই সম্পর্কে। এ বিষয়ে
বিস্তারিত তথ্যবহুল ও কার্যকরী আলোচনা করা হবে। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে
নেওয়া যাক!
আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে, অনলাইনে কিছু ইউনিক উপায় অবলম্বন করে প্যাসিভ
ইনকামের মাধ্যমে অনেক টাকা আয় করা যায়। তাই আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলটির
মাধ্যমে প্যাসিভ ইনকাম কি? ১৯টি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স - প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা
যায়? এ বিষয় সম্পর্কে এমন কিছু ইউনিক ও কার্যকরী তথ্য সম্পর্কে জানাবো,
যেগুলিকে কাজে লাগিয়ে আপনি খুব সহজেই নিচে বর্ণিত উপায়গুলো অবলম্বন করে প্যাসিভ
ইনকামের মাধ্যমে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি কি প্যাসিভ ইনকাম কি? ১৯টি
প্যাসিভ ইনকাম সোর্স - প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়? এ বিষয় সম্পর্কে
বিস্তারিত তথ্য গুলো জানতে চান, তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি শুধুমাত্র আপনার
জন্যই। এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে আশা করি আলোচ্য বিষয়ে
বিস্তারিতভাবে নির্ভুল সব তথ্য গুলো জানতে পারবেন। ইনশাআল্লাহ!
পেজ সূচিপত্রঃ
.
ভুমিকা
বর্তমান সময়ে টাকা ইনকাম করার জন্য খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয় না। অনলাইন
মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে একটু মেধা খাটিয়ে খুব সহজেই ঘরে বসে প্যাসিভ ইনকামের
মাধ্যমে অনেক টাকা উপার্জন করা সম্ভব। বর্তমান সময়টি অনলাইন ভিত্তিক হওয়ার
কারণে বিভিন্ন ধরনের কিছু ইউনিক উপায় রয়েছে যেগুলোতে কাজ করে প্যাসিভ ইনকামের
মাধ্যমে খুব সহজেই আয় করতে সক্ষম হচ্ছে।
আর এই ধরনের ইউনিক উপায় গুলোকে তারা তাদের ইনকামের উৎস হিসেবে বিবেচনা করে থাকে।
আপনি যদি অল্প মেধা খাটিয়ে স্বল্প পরিশ্রমে অধিক আয় করতে সক্ষম হবেন শুধুমাত্র
প্যাসিভ ইনকামের মাধ্যমে। তাই আজকের আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়লে
বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন প্যাসিভ ইনকাম কি? ১৯টি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স -
প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়? এই বিষয় সম্পর্কে।
এছাড়াও প্যাসিভ ইনকাম কি - Passive income কাকে বলে? প্যাসিভ ইনকাম আইডিয়া -
প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়? ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে আয়, ড্রপশিপিং করে আয়,
একটি অ্যাপ তৈরি করে আয়, অনলাইন সার্ভে করে আয়, বই লিখা এবং প্রকাশ করে আয়,
বন্ধুদের আইডিয়া শুনুন এবং বিনিয়োগ করুন, ই-বুক রাইটিং করে আয়, ব্লগ সাইট তৈরি
করে আয়, ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে আয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়, স্টোক
ইমেজ সেল করে আয়,
অনলাইনে ডিজাইন বিক্রয় করে আয়, কোর্স বিক্রয় করে আয়, বাড়ি এবং ফ্ল্যাট ভাড়া
দিয়ে আয়, ফ্রিল্যান্সিং করে আয়, ব্লগিং করে আয়, রিয়েল এ্যাস্টেট করে আয়,
ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং করে আয়, প্রিন্ট অন ডিমান্ড বিজনেস এ বিষয়গুলো সম্পর্কেও
বিস্তারিত জানতে পারবেন। আর প্যাসিভ ইনকাম কি? ১৯টি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স -
প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়? এ বিষয় সম্পর্কে যদি জানতে চান, তাহলে আজকের এই
আর্টিকেলটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্যাসিভ ইনকাম কি - Passive income কাকে বলে?
সাধারণত বর্তমান সময়ে ইনকাম দুইভাবে করা যায় প্রথমটি হচ্ছে Active Income এবং
দ্বিতীয়টি হচ্ছে Passive Income । মূলত প্যাসিভ ইনকামে আপনাকে সব সময় কাজ করতে
হবে না, বরং প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে এমন একটি ইনকাম সেখানে যদি আপনি একবার কাজ করে
রেখে দেন, তবে তারপর থেকে সেখানে আপনার ইনকাম হতেই থাকবে। মূলত আপনি সেখানে সব
সময় সরাসরি কাজ না করেও সেখান থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।
সাধারণত একজন ব্যক্তি তার মূল কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে কাজে
লাগিয়ে নিজের সচ্ছলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে, নিজের জীবনযাত্রার মান আরো উন্নত করতে
উদ্দেশ্যে, মূল কাজের পাশাপাশি যেই ইনকাম করে সেটা প্যাসিভ ইনকাম। তাই জন্য
প্রত্যেক ব্যক্তির মূল কাজের পাশাপাশি প্যাসিভ ইনকাম থাকা অত্যন্ত জরুরী।
প্রিয় পাঠক তাহলে চলুন আপনাদের সুবিধার্থে প্যাসিভ ইনকাম কি আরো বিস্তারিত
ভালোভাবে জানা যাক, ধরুন যে আপনি একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার এক্সপার্ট এখন
আপনার ইচ্ছা আছে যে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম করবেন। আর এই জন্য অবশ্যই
আপনাকে নির্দিষ্ট বায়ারের জন্য ডিজাইন করে দেওয়ার মাধ্যমে আপনি সেখান থেকে টাকা
আয় করতে পারবেন।
আর মূলত ক্লাইন্ট যদি আপনাকে ডিজাইনের কাজ দেয়, তবে আপনি সেই কাজটি সম্পন্ন করে
সেখান থেকে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। আর ক্লায়েন্ট যদি আপনাকে কাজ না দেয়,
সেক্ষেত্রে আপনি সেখান থেকে ইনকাম করতে সক্ষম হবেন না। প্রিয় পাঠক আপনি যদি
আপনার করা গ্রাফিক্স ডিজাইনের কতোগুলো ডিজাইন তৈরি করে আপলোড করে রাখেন
মাইক্রোস্টোক সাইটে।
আর আপনার এই তৈরিকৃত ডিজাইন গুলো যদি সারা বছর সেখান থেকে বিক্রয় হয়, তাহলে
সেখান থেকে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন বিষয়টা দারুন তাই না। এটাই মূলত হচ্ছে
মূলত প্যাসিভ ইনকাম। আপনি একবার যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করে রাখেন, তাহলে সেই
কাজটি আপনি সারা বছরই বিক্রয় করতে পারবেন। আর সারা বছর সেখান থেকে আপনার ইনকাম
হতেই থাকবে। আর এটাকে প্যাসিভ ইনকাম বলে আখ্যায়িত করা হয়। সাধারণত একই কাজ
বারবার না করে, একবার কাজ করে সেখান থেকে যে অর্থ উপার্জন করা যায় তাকে প্যাসিভ
ইনকাম বলা হয়।
প্যাসিভ ইনকাম আইডিয়া - প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়?
সাধারণত প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে অর্থ উপার্জনের এমন এক ধরনের মাধ্যম যেখানে আপনি কোন
নির্দিষ্ট বিষয়ে একবার কাজ করে রেখে দিলেই সেখান থেকে টাকা পেতে থাকবেন। প্রিয়
পাঠক আপনি যদি প্যাসিভ ইনকাম করতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে অবশ্যই কঠোর
পরিশ্রম করতে হবে। কেননা আপনি যদি কঠোর পরিশ্রম না করেন, সেক্ষেত্রে আপনি কখনোই
প্যাসিভ ইনকামে সফলতা অর্জন করতে পারবেন না।
আপনি যদি প্যাসিভ ইনকামে সফলতা অর্জন করতে চান, সেক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে প্রচুর
পরিশ্রম করতে হবে। তারপর পরবর্তী সময়ে আপনার সেখান থেকে এমনি এমনি অর্থ উপার্জন
হবে। কোন কাজ করতে হবে না। সাধারণত একই কাজ বারবার না করে, একবার কাজ করে সেখান
থেকে যে অর্থ উপার্জন করা যায় তাকে প্যাসিভ ইনকাম বলা হয়। প্যাসিভ ইনকাম করার
জন্য সাধারণত আপনাদের কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে,
সেই পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করে আপনারা সেখান থেকে খুবই ভালো পরিমাণে আর্নিং করতে
সক্ষম হবেন। আর এই কাজ করার জন্য আপনার কোন রকম বাড়তি পরিশ্রম বা কাজ করার
প্রয়োজন পড়বে না। প্রিয় পাঠক আপনারা যারা প্যাসিভ ইনকাম করার ইউনিক ও কার্যকরী
আইডিয়া গুলো জানতে চান, আপনাদের উপকারার্থে আজকের এই আর্টিকেলটিতে প্যাসিভ ইনকাম
কিভাবে করা যায় -প্যাসিভ ইনকামের আইডিয়া নিচে উল্লেখ করা হলো।
ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে আয়
একজন ইনফ্লুয়েন্সার হিসাবে কাজ করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে অনেক
ফলোয়ার থাকা আবশ্যক। প্রিয় পাঠক আপনি যদি একজন ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে কাজ করতে
চান, সেক্ষেত্রে আপনার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে অনেক ফলোয়ারের সংখ্যা থাকতে
হবে। আর আপনার যদি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে অনেক ফলোয়ার থেকে থাকে, তাহলে
সেক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানির ব্র্যান্ডের জন্য ইনফ্লুয়েন্সার
হিসাবে কাজ করে সেখান থেকে খুবই ভালো পরিমাণে টাকা আরনিং করতে পারবেন।
ড্রপশিপিং করে আয়
সাধারণত বর্তমান সময়ে ড্রপশিপিং করে প্রচুর মানুষ অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে খুবই
ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করছেন। মূলত ড্রপশিপিং বিষয়টা হচ্ছে নির্দিষ্ট কোন
স্থান থেকে স্বল্প মূল্যে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট ক্রয় করে, সেগুলো আপনি আপনার
নিজস্ব ওয়েব সাইটে ক্রয় মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রয় করার মাধ্যমে টাকা
আয় করতে পারবেন মূলত এটাই হচ্ছে ড্রপশিপিং। প্রিয় পাঠক আপনি ড্রপশিপিং করে খুবই
ভালো পরিমাণে প্যাসিভ আর্নিং করতে সক্ষম হবেন।
একটি অ্যাপ তৈরি করে আয়
প্রিয় পাঠক বর্তমান সময়ে অ্যাপ তৈরি করে প্রচুর মানুষ খুবই ভালো পরিমাণে
প্যাসিভ ইনকাম করছেন। আর আপনি এই আইডিয়াটাকে কাজে লাগিয়ে আপনিও সম্ভব হলে একটি
মোবাইলে অ্যাপ বানিয়ে সেখান থেকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত লাভবান হতে পারবেন। তবে
আপনাকে এমন একটি অ্যাপ বানাতে হবে যেন অ্যাপটি দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। কেননা
আপনার অ্যাপটি যদি জনপ্রিয়তা লাভ করে, তাহলে আপনি সেখান থেকে ভালো পরিমাণে
প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।
অনলাইন সার্ভে করে আয়
সাধারণত বর্তমান সময়ে বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানি রয়েছে, যারা অনলাইনে সার্ভে করে
গ্রাহকদের থেকে ফিডব্যাক গ্রহণ করে। প্রিয় পাঠক সেক্ষেত্রে আপনিও অনলাইনে
কোম্পানি গুলোতে সার্ভে করে অনলাইনের মাধ্যমে বেশ কিছু মানুষকে নিয়োগ করতে
পারেন, আর এটি আপনার জন্য আয়ের একটি সুবিধাজনক অন্যতম মাধ্যম হতে পারে।
বই লিখা এবং প্রকাশ করে আয়
বর্তমান সময়ে বই লেখা হচ্ছে প্যাসিভ ইনকামের একটি দারুণ অন্যতম একটি উপায়।
প্রিয় পাঠক আপনি আপনার পছন্দমত যে কোন একটি বিষয় নিয়ে বই লিখতে পারেন, তবে
আপনাকে মনে রাখতে হবে বর্তমান সময়ে যে বিষয়গুলো অধিক পরিমাণে জনপ্রিয়, সেই
বিষয়গুলো নিয়ে বই লিখতে হবে। যেন আপনার লেখা বইটি পড়ার জন্য মানুষ আগ্রহী হয়
বা আগ্রহ প্রকাশ করে।
আর এই জন্য অবশ্যই আপনাকে একজন ভালো আদর্শবান লেখক হতে হবে। নইলে প্রকাশকারীরা
কখনোই আপনার বই প্রকাশের ক্ষেত্রে আগ্রহ প্রকাশ করবে না, বরং অনীহা প্রকাশ করবে।
সুতরাং আপনি একজন প্রথমে ভাল আদর্শবান লেখক হন, তারপর একটি জনপ্রিয় বিষয় নিয়ে
বই লিখে সেটা প্রকাশ করে প্যাসিভ ইনকাম করুন।
বন্ধুদের আইডিয়া শুনুন এবং বিনিয়োগ করুন
সাধারণত একটি ফ্রেন্ড সার্কেলে বিভিন্ন রকম বন্ধু-বান্ধব থাকেন। সেরকমই প্রিয়
পাঠক আপনার ফ্রেন্ড সার্কেলে যদি কোন বন্ধুর মাঝে যদি বিজনেস আইডিয়া থেকে থাকে,
সেক্ষেত্রে আপনারা এটিকে কাজে লাগিয়ে আপনারা একসাথে পার্টনারশিপে কাজ করতে
পারেন। তাছাড়া চাইলে বিনিয়োগ করতে পারেন, ফলে পরবর্তী সময়ে আপনারা এখান থেকে
খুবই লাভবান হবেন।
ই-বুক রাইটিং করে আয়
সাধারণত বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী দারুন জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ই-বুক রাইটিং।
প্রিয় পাঠক সেক্ষেত্রে আপনিও এই সেক্টরে খুবই ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করে একজন
দক্ষ ই-বুক রাইটার হয়ে খুবই ভালো পরিমাণে প্যাসিভ আর্নিং করতে পারবেন।
ব্লগ সাইট তৈরি করে আয়
প্রিয় পাঠক আপনি যদি লেখালেখি করতে ভালোবাসেন বা পছন্দ করেন, সেক্ষেত্র আপনি
আপনার নিজস্ব একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে, সেখানে নিয়মিত বিভিন্ন টপিক নিয়ে
আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করে গুগল অ্যাডসেন্সের এপ্লাই করে, গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে
টাকা আর্নিং করতে পারেন।
ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে আয়
বর্তমান সময়ে ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে প্যাসিভ ইনকাম করে অনেক মানুষ খুবই ভালো
পরিমাণে টাকা আয় করছেন। প্রিয় পাঠক আপনি যদি ব্লগিং করতে ভালোবাসেন, সেক্ষেত্রে
আপনিও ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন। প্রিয় পাঠক আপনি যদি
ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্যাসিভ ইনকাম করতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু
বিষয়ের উপরে ভিডিও তৈরি করতে হবে পাশাপাশি একটি বিষয় অবশ্যই আপনাকে মাথায়
রাখতে হবে আপনি যে ভিডিও গুলো তৈরি করছেন সেগুলো যেন মানুষ দেখে উপকৃত হয় এবং
আনন্দ পায়।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়
প্রিয় পাঠক আপনি যদি একজন ধৈর্যবান ব্যক্তি হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনি আপনার
নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানি বা
ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট বিক্রয় করার মাধ্যমে সেখান থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন
পাবেন। আপনি আপনার মূল কাজের পাশাপাশি এখান থেকে খুবই ভালো পরিমাণে প্যাসিভ ইনকাম
করতে পারবেন।
স্টোক ইমেজ সেল করে আয়
প্রিয় পাঠক আপনি কি প্রফেশনালি খুবই ভালো ছবি তুলতে পারেন, তাহলে আপনি আপনার
তোলা সেই ছবিগুলো স্টোক সাইট গুলোতে সেল করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।
অনলাইনে ডিজাইন বিক্রয় করে আয়
প্রিয় পাঠক আপনি যদি একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার এক্সপার্ট হয়ে থাকেন,
সেক্ষেত্রে আপনিও মাইক্রোস্টোক সাইট গুলোতে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে সেখানে আপনার করা
ডিজাইন গুলো বিক্রয় করার মাধ্যমে ইনকাম শুরু করতে পারেন। বর্তমান সময়ে এই
প্লাটফর্ম গুলো দারুন জনপ্রিয়তা লাভ করছেন। আর তাই জন্য এই প্ল্যাটফর্ম গুলোতে
মানুষের প্রত্যাশা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কোর্স বিক্রয় করে আয়
সাধারণত বর্তমান সময়ে যে বিষয়গুলো জানার জন্য মানুষ বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে যেমন
রান্না, নাচ, গান, ব্লগিং, হাতের কাজ, বিভিন্ন ধরনের সাবজেক্ট ইত্যাদি। এই
বিষয়গুলোর মধ্যে কোন একটিতে যদি আপনি দক্ষ হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে
আপনিও একটা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর কোর্স তৈরি করে সেগুলো অনলাইন প্লাটফর্মে
বিক্রয়ের মাধ্যমে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারেন।
বাড়ি এবং ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে আয়
প্রিয় পাঠক আপনার যদি শহর অঞ্চলে কোন জমি থাকে কিংবা যদি না থাকে, তাহলে আপনি
শহরাঞ্চলে জমি ক্রয় করে সেখানে বাড়ি বানিয়ে সেটি ভাড়া দিয়েও প্যাসিভ ইনকাম
করতে পারবেন। কেননা বর্তমান সময়ে শহরে বাড়ি বা ফ্লাটের চাহিদা অনেক।
ফ্রিল্যান্সিং করে আয়
প্রিয় পাঠক বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করে প্রচুর মানুষ অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে
খুবই ভালো পরিমাণে টাকা আয় করছেন। আপনিও চাইলে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের যেকোনো
একটি কাজের বিষয়ে খুবই ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করে সেই কাজটি করতে পারেন। আপনি
আপনার মূল কাজের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের যে কোন একটি কাজ যেমন গ্রাফিক্স
ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং সহ
আরো বিভিন্ন ধরনের কাজ করে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।
ব্লগিং করে আয়
প্রিয় পাঠক আপনি যদি লেখালেখি করতে পছন্দ করেন বা ভালোবাসেন, সেক্ষেত্রে আপনিও
ব্লগিং করে অন্যান্য মানুষের মতো প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন। সাধারণত ব্লগিং
হচ্ছে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর লেখালেখি করে সেই আর্টিকেলগুলো নিজস্ব
ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে ইনকাম করতে হয়। ব্লগিং করার জন্য আপনার প্রথমে একটি
ওয়েবসাইটের প্রয়োজন হবে। এরপর আপনার ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন
দেখিয়ে, বিভিন্ন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রয় করে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে
প্যাসিভ ইনকাম করতে পারেন।
রিয়েল এ্যাস্টেট করে আয়
সাধারণত বর্তমান সময়ে শহরাঞ্চলে ফ্ল্যাটের চাহিদা বেড়েই চলেছে। অনেক মানুষ
ফ্ল্যাট বাসার অনুসন্ধান করে থাকেন। প্রিয় পাঠক আপনিও ফ্ল্যাট বাড়ির নানান
ধরনের খোঁজ খবর নিয়ে অনুমতি সাপেক্ষে একটি এজেন্সি খুলতে পারেন। এতে করে কেউ যদি
ফ্লাট বাড়ির খোঁজ খবর করে, সেক্ষেত্রে এজেন্সিতে যোগাযোগ করলে ফ্ল্যাট ভাড়া
মধ্যস্থতা করে এখান থেকে আপনি খুবই ভালো পরিমাণে প্যাসিভ ইনকাম করতে সক্ষম হবেন।
ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং করে আয়
বর্তমান সময়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য instagram
এর ভূমিকা বেড়েই চলেছে। সাধারণত প্রতি মাসে instagram অ্যাক্টিভ ইউজার বিদ্যমান
রয়েছে প্রায় ১. ৪+ বিলিয়ন অ্যাক্টিভ ইউজার। আর বর্তমান সময়ে এই প্লাটফর্মকে
কাজে লাগিয়ে দেশে-বিদেশি প্রচুর মানুষ এখান থেকে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন
করছেন। ভিডিও, ফটো, শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন এবং সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে
instagram
দারুন বিষয় হচ্ছে ইনস্টাগ্রাম Mobile Focused প্ল্যাটফর্ম। ইন্টারনেট
ব্যবহারকারী বেশির ভাগ মানুষ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে instagram ব্যবহার করে। আর
আপনিও চাইলে মোবাইল দিয়ে মার্কেটিং এর কিছু সিক্রেট জেনে ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন
করে প্রতি মাসে খুবই ভালো পরিমাণে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।
প্রিন্ট অন ডিমান্ড বিজনেস
বর্তমান সময়ে প্রিন্ট এন্ড ডিমান্ড বিজনেস প্যাসিভ ইনকাম করার দারুণ অন্যতম
মাধ্যম। সংক্ষেপে প্রিন্ট অন ডিমান্ডকে POD বলা হয়। POD এর কাজ হচ্ছে কাস্টমারের
চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট যেমন বই, টি-শার্ট, ক্যানভাস, মগ
ইত্যাদি ডিজাইন করে প্রিন্ট করে দিতে হবে।
প্যাসিভ ইনকাম কেন জরুরি?
বর্তমানে নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্যের বা পন্য সামগ্রীর মূল্য
বৃদ্ধির ফলে জীবন-যাপন করতে অনেক কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। তাই সময়ের সাথে তাল
মিলিয়ে চলার জন্য একটি নির্দিষ্ট কাজের পাশাপাশি অন্য একটি প্যাসিভ ইনকামের
সোর্স থাকা অত্যন্ত জরুরী। কারণ এতে করে বর্তমানে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত
জীবন-যাপন করা যাবে। এটি আপনার আর্থিক সচ্ছলতায় বিশেষভাবে সহায়তা করবে।
বর্তমান সময়ে অনেক বড় বড় কোম্পানির মালিক বা বিজনেসম্যান তারা তাদের মূল কাজের
পাশাপাশি প্যাসিভ আয় করার মাধ্যমে নিজেদের ইনকাম বহু গুনে বাড়িয়ে নিচ্ছে। আর
প্রিয় পাঠক আপনারা যদি এই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাদের
অবশ্যই আপনার মূল কাজের পাশাপাশি অন্য একটি প্যাসিভ ইনকামের উৎস থাকতে হবে।
প্রত্যেক ব্যক্তির প্যাসিভ ইনকাম থাকা অত্যন্ত জরুরী, কেননা এটি যেমন অর্থনৈতিক
নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ঠিক তেমনি ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
- চাকরির উপর নির্ভরশীলতা কমানোঃ প্রিয় পাঠক আপনারা যদি শুধুমাত্র চাকরি বা যেকোনো একটি নির্দিষ্ট কাজের ইনকামের উপরে নির্ভরশীল হন, সেক্ষেত্রে হঠাৎ করে যদি আপনার চাকরি চলে যায় বা সেই কাজটি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে আপনি আর্থিক সংকটে পড়ে যাবেন। কিন্তু যদি আপনার প্যাসিভ ইনকামের সোর্স থাকে, সেক্ষেত্রে এই চাপ অনেক কমে যাবে।
- আর্থিক সচ্ছলতা বা স্বাধীনতাঃ প্যাসিভ ইনকামের সোর্স থাকলে একটি নির্দিষ্ট কাজের আওতায় না থেকেও, আপনি সেখান থেকে নিয়মিত অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। যা আপনাকে আর্থিকভাবে সচ্ছল করবে পাশাপাশি আর্থিক স্বাধীনতা এনে দেবে।
- ভবিষ্যৎ জীবনের নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাঃ সাধারণত বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে কাজ করার শক্তি পাশাপাশি মন মানসিকতা কোনটাই থাকে না। যার ফলে একটিভ ইনকাম করা সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে এখন থেকেই আপনার যদি প্যাসিভ ইনকাম নিশ্চিত থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি পরবর্তী সময়ে সচ্ছলভাবে জীবন-যাপন করতে সক্ষম হবেন ও আপনার ভবিষ্যত জীবনের নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা বজায় থাকবে।
- অতিরিক্ত আয়ের সুযোগঃ প্রিয় পাঠক আপনি যদি আপনার মূল চাকরি বা ব্যবসার পাশাপাশি আলাদা একটি প্যাসিভ ইনকামের সোর্স থাকে, তাহলে আপনার সেখান থেকে অতিরিক্ত আয় হবে, যা আপনার জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সাহায্য করবে।
- সময় ও স্বাধীনতাঃ আপনার যদি প্যাসিভ ইনকামের একটি সোর্স থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি নিজের ও পরিবারের শখ পাশাপাশি ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য বেশি সময় দিতে পারবেন। কেননা প্যাসিভ ইনকাম করার জন্য প্রতিদিন কাজ করার প্রয়োজন পড়ে না।
- অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার সহজ হবেঃ আপনি যদি হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে যান অথবা জরুরি যেকোনো খরচ সহ আরো যেকোনো অন্যান্য অর্থনৈতিক সংকটের সময় আপনি আপনার প্যাসিভ ইনকামের সহযোগিতা নিতে পারবেন। এতে করে আপনি আপনার সমস্যার সাথে মোকাবেলা করতে পারবেন।
- উত্তরাধিকার তৈরিঃ প্রিয় পাঠক এখন থেকে যদি আপনি আপনার প্যাসিভ ইনকামের সোর্স তৈরি করতে পারেন, সেক্ষেত্রে এটি আপনার পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি ভালো সম্পদ হয়ে উঠবে। যা তারা তাদের সচ্ছলতা বিপদ-আপদ পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মোকাবেলার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
প্যাসিভ ইনকাম কখন কখন শুরু হবে?
প্রিয় পাঠক আপনি যেকোনো সময় প্যাসিভ ইনকাম করতে পারেন। কেননা প্যাসিভ ইনকাম
করার জন্য কোন নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়। তবে আপনি যদি প্যাসিভ ইনকাম করতে
চান বা মনস্থির করেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে প্যাসিভ ইনকাম করার জন্য কিছু বিষয়ে
খুবই ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হবে পাশাপাশি প্যাসিভ ইনকাম করার জন্য বিনিয়োগ
করার মতো অর্থ, মন মানসিকতা দুটোই থাকতে হবে।
কেননা বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করার মাধ্যমেও আপনি প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।
তবে আপনার যদি প্যাসিভ ইনকাম করার মতো কোন দক্ষতা, অর্থ কোনোটি না থাকে,
সেক্ষেত্রে প্যাসিভ ইনকাম করাটা আপনার জন্য খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে। অনেক মানুষ
রয়েছে যারা প্যাসিভ ইনকাম অনেক সহজতর মনে করে। কিন্তু বিষয়টা মোটেও এরকম
না।
প্রত্যেকটা কাজেই সফলতা অর্জন করতে চাইলে প্রথমে কঠোর পরিশ্রম করে শুরু করতে হবে।
তাহলে আপনি সেই কাজটি করে সফলতা অর্জন করতে পারবেন। পরিশ্রম ছাড়া কোন কাজের
সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। প্রথমে আপনাকে কোন নির্দিষ্ট কাজের ব্যবস্থা করতে
হবে। এরপর সেই কাজ করার পাশাপাশি আপনাকে প্যাসিভ ইনকামের সোর্স তৈরি করতে হবে,
তাহলে আপনি লাভবান হবেন।
মূলত প্যাসিভ ইনকাম মানে হচ্ছে নির্দিষ্ট ইনকামের পাশাপাশি বাড়তি অর্থ উপার্জন
করার জন্য আপনি আপনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে সেই
পদ্ধতি গুলোকে কাজে লাগিয়ে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন। প্যাসিভ ইনকাম করার জন্য
আপনাকে প্রথমে আপনার নির্দিষ্ট একটি আয়ের উৎস তৈরি করতে হবে। তারপর সেই কাজটি
করার পাশাপাশি আপনাকে প্যাসিভ আয়ের উৎস বের করতে হবে, তাহলেই আপনি এই দুই ধরনের
কাজ একসাথে করে লাভবান হতে পারবেন।
মূল কাজের পাশাপাশি যে কাজগুলো করে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন ইউটিউব এর মাধ্যমে
অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট করে প্যাসিভ ইনকাম, ব্লগিং করে প্যাসিভ ইনকাম, গ্রাফিক্স
ডিজাইন করে প্যাসিভ ইনকাম, ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং করে প্যাসিভ ইনকাম, প্রিন্ট অন
ডিমান্ড বিজনেস করে প্যাসিভ ইনকাম, মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে প্যাসিভ ইনকাম,
অ্যামাজনে বই পাবলিশ করে প্যাসিভ ইনকাম, 2D কার্টুন অ্যানিমেশন তৈরি করে প্যাসিভ
ইনকাম ইত্যাদি।
মোবাইল ফোন দিয়ে কি প্যাসিভ ইনকাম সম্ভব?
সাধারণত বর্তমান সময়ে প্রায় সকল মানুষের হাতে হাতে স্মার্টফোন। আর এই হাতে থাকা
স্মার্টফোন দিয়ে বর্তমান সময়ে ইনকাম করা সহজ হয়ে গেছে। প্রিয় পাঠক আপনারা
চাইলে আপনাদের হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়েও প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন। মোবাইল
দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রধানের মাধ্যমে ইনকাম করা
সম্ভব। সাধারণত বর্তমান সময়ে আয়ের একটি বড় মাধ্যম হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং।
আর আপনারা আপনাদের হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই ফ্রিল্যান্সিং এর ছোট ছোট কাজ
গুলো শুরু করতে পারবেন যেমন কন্টেন্ট রাইটিং, ট্রান্সলেশন, ডিজিটাল মার্কেটিং
ইত্যাদি। এছাড়াও আপনারা ফাইভার, আপওয়ার্ক এর মতো মার্কেটপ্লেস গুলোতে মোবাইল
অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে কাজ করতে পারবেন। যদিও মোবাইল দিয়ে সব কাজ করা
সম্ভব না, তবুও মোবাইল দিয়ে আপনারা অনেক কাজ করতে পারবেন।
এছাড়াও আপনারা সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট, ইউটিউবিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েশন,
অনলাইন টিউটরিং, ড্রপশিপিং, মাইক্রো টাস্ক সম্পাদন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এই
সকল কাজ আপনারা আপনাদের হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে করতে পারবেন। তবে
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে আরো কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো মোবাইল ফোন দিয়ে করা সম্ভব
নয়। সেই কাজগুলো করার জন্য বড় স্কিন কম্পিউটার বা ল্যাপটপ প্রয়োজন। তবে
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে অনেক কাজ রয়েছে, যেগুলো আপনারা আপনাদের হাতে থাকা মোবাইল
ফোন দিয়েই সম্পন্ন করতে পারবেন।
লেখকের ইতি কথাঃ প্যাসিভ ইনকাম কি? ১৯টি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স - প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়?
সম্মানিত পাঠক, আশা করি উপরোক্ত আলোচনা থেকে আপনি প্যাসিভ ইনকাম কি? ১৯টি প্যাসিভ
ইনকাম সোর্স - প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়? এই বিষয়ে সম্পর্কে পুরোপুরি
বিস্তারিতভাবে জানতে পেরেছেন। উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো ভালোভাবে পড়ে জেনে নিলে
আপনি খুব সহজেই প্যাসিভ ইনকামের মাধ্যমে প্রতিমাসে একটা হ্যান্ডসাম এমাউন্ট ইনকাম
করতে পারবেন।
পরিশ্রমের মাধ্যমে প্যাসিভ ইনকাম করে আপনি স্বাবলম্বী হতে পারবেন। কিন্তু অনেকে এ
বিষয়গুলো না জানার কারণে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারে না। তাই আপনি যদি খুব সহজেই
প্যাসিভ ইনকাম করে স্বাবলম্বী হতে চান তাহলে প্যাসিভ ইনকাম কি? ১৯টি প্যাসিভ
ইনকাম সোর্স - প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়? এই আর্টিকেলটি পড়া আবশ্যক।
প্রিয় পাঠক, এতক্ষণ আমাদের সাথে থেকে আর্টিকেলটি সম্পন্ন মনোযোগের সাথে পড়ার
জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে এই ধরনের তথ্য বহুল আর্টিকেল
নিয়মিত পোস্ট করে থাকি। তাই আপনি যদি এ ধরনের আরও তথ্যবহুল উপকারী পোস্ট পড়তে
চান, তাহলে এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ফলো করুন। সাথে সাথে এই আর্টিকেলটি পড়ে ভালো
লাগলে আপনার নিকট আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব ও পরিবার-পরিজনদের কাছে তাদের উপকারার্থে
শেয়ার করে দিন।
যেন তারা প্যাসিভ ইনকাম কি? ১৯টি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স - প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা
যায়? এ বিষয়ে সম্পর্কে পুরোপুরি ভালোভাবে জেনে নিতে পারে। প্যাসিভ ইনকাম কি?
১৯টি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স - প্যাসিভ ইনকাম কিভাবে করা যায়? এ বিষয়ে সম্পর্কে
আপনার যদি কোন গুরুত্বপূর্ণ মতামত বা প্রশ্ন থাকে, তাহলে অবশ্যই নিচে দেওয়া
মতামত বক্সে কমেন্ট করতে ভুলবেন না। আবার আপনাদের সাথে কথা হবে নতুন কোন আর্টিকেল
নিয়ে ততক্ষণ পর্যন্ত নিরাপদ ও সুস্থ থাকুন।
কনফিডেন্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url