PayPal একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম - পেপাল থেকে বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার পদ্ধতি
আপনি কি আপনার আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে উপার্জিত ডলার গুলো খুব সহজেই নিজ দেশের
টাকায় রূপান্তরিত করে আপনার ব্যবহৃত যেকোনো অ্যাকাউন্টে পেমেন্ট নিতে চান? তাহলে
আপনার চিন্তার কোন কারণ নেই। কারণ আজকে আমাদের এই আর্টিকেলটির মূল আলোচনায়
হচ্ছে PayPal একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম - পেপাল থেকে
বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার পদ্ধতি সেই সম্পর্কে। এ বিষয়ে
বিস্তারিত তথ্যবহুল ও কার্যকরী আলোচনা করা হবে। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে
নেওয়া যাক!
আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে, কিভাবে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে উপার্জিত ডলারগুলো
নিজ দেশের টাকায় রূপান্তরিত করে বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়া যায়।
তাই আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলটির মাধ্যমে PayPal একাউন্ট
তৈরি করার নিয়ম - পেপাল থেকে বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট
নেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে এমন কিছু ইউনিক ও কার্যকরী তথ্য সম্পর্কে জানাবো,
যেগুলিকে কাজে লাগিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার উপার্জিত ডলার গুলো পেমেন্ট নিতে
পারবেন। আপনি কি আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য গুলো জানতে চান, তাহলে
আজকের এই আর্টিকেলটি শুধুমাত্র আপনার জন্যই। এই আর্টিকেলটির সম্পূর্ণ মনোযোগ
সহকারে পড়ুন। তাহলে আশা করি আলোচ্য বিষয়ে বিস্তারিতভাবে নির্ভুল সব তথ্য গুলো
জানতে পারবেন। ইনশাল্লাহ!
পেজ সূচিপত্রঃ
.
ভুমিকা
বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষই অনলাইন এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে প্রচুর
পরিমাণে ডলার ইনকাম করছে। আর এই ডলারগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্নভাবে ইনকাম
করছে। আর এই ডলারগুলো নিজ নিজ দেশেের টাকায় কনভার্ট করার জন্য কিছু জনপ্রিয়
সাইট থাকে যেমন ধরুন বিটকয়েন, বাইনান্স, ডলার এক্স ইত্যাদি। তাই এই ধরনের
ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করে কিভাবে আপনার উপার্জিত
ডলারকে নিজ দেশের টাকা হিসেবে পেমেন্ট নিবেন সেগুলোই বর্ণনা করা হয়েছে। তাই
আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি বিস্তারিতভাবে জানতে
পারবেন PayPal একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম - পেপাল থেকে
বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার পদ্ধতি এই বিষয় সম্পর্কে।
এছাড়াও PayPal account কি?
পেপাল এর মালিক কে? পেপাল একাউন্ট খুলতে/করতে কি কি লাগে? PayPal account create
/ সহজে পেপাল একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম, PayPal বিজিনেস একাউন্ট ভেরিফাই করার
নিয়ম, বৈধভাবে বাংলাদেশে PayPal একাউন্ট তৈরি করার/খোলার নিয়ম, পেপাল বাংলাদেশে
কবে আসবে? বাংলাদেশে PayPal পুরোপুরিভাবে না আসার কারন কি? PayPal কি বাংলাদেশে
বৈধভাবে ব্যবহার করা যায়?
বাংলাদেশে কিভাবে PayPal account খুলবো?-বাংলাদেশে PayPal account করা যায় কি?
পেপাল থেকে বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার পদ্ধতি এ বিষয়গুলো
সম্পর্কেও বিস্তারিত জানতে পারবেন। আর আপনি যদি বৈধভাবে বাংলাদেশে PayPal একাউন্ট
তৈরি করার/খোলার নিয়ম - পেপাল থেকে বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট
নেওয়ার পদ্ধতি এ বিষয়ে সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার
জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
PayPal account কি?
পেপাল অ্যাকাউন্ট মূলত একটি ই-কমার্স প্রতিষ্টান যারা অনলাইনে ইন্টারনেটের
মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের অর্থ পরিবর্তনের মাধ্যমে সারা বিশ্বে একজন থেকে আরেকজনের
কাছে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সাহায্য করে থাকে। সুতরাং এটিকে বিভিন্ন দেশের অর্থ
লেনদেনের ক্ষেত্রে বা এক্সচেঞ্জ এর ক্ষেত্রে চেক অথবা মানি অর্ডারের বিকল্প
পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেকোনো দেশের গ্রাহক পেপাল একাউন্টের
মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করার ক্ষেত্রে পেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে চেক নিতে পারে কিংবা
নিজের পেপাল একাউন্টে জমানো অর্থ খরচ করতে পারে অথবা পেপাল একাউন্টের সাথে
বিভিন্ন ধরনের সংযুক্ত ব্যাংক একাউন্টে অর্থ জমা করতে পারে। পেপাল সব প্রথমে 1998
সালে পালো আল্টো, ক্যালিফোর্নিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির
সদর দপ্তর ছিল স্যান জোস, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
পরবর্তী সময়ে ২০০২ সালে ৩রা অক্টোবর বিশ্বের সর্ববৃহৎ নিলাম ওয়েবসাইট ই-বের
আওতাধীন অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে মালিকানা পরিবর্তন করা হয়। এর পরবর্তী সময়ে
২০১০ সালের ১৭ মার্চ চীনের ব্যাঙ্ককার্ড সমিতি চায়না ইউনিয়ন পে (সিইউপি) এর সাথে
সমঝোতার মাধ্যমে চীনের ভোক্তাদের পেপালের মাধ্যমে অনলাইন কেনাকাটা সহ আরো
অন্যান্য জায়গায় ব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়। এবং 2010 সালের শেষের দিকে এসে
এশিয়া মহাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু হয়।
পেপাল এর মালিক কে?
ম্যাক্স লেভচিন, পিটার থিয়েল এবং লুক নসেক এদের প্রচেষ্টায় ১৯৯৮ সালে কনফিউনিটি
এবং ডটকমের একত্রিকরনের মাধ্যমে মূলত বাম পাইলটের আর্থিক লেনদেন করার সুবিধা ও
গুপ্ত সংকেত সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও অনলাইন আর্থিক প্রী সেবা প্রতিষ্ঠান
হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ই-বে বিল পয়েন্ট কে ১৯৯৯ সালের মে মাসে ক্রয় করে নেয়।
আর তখন পর্যন্ত পেপালের প্রতিষ্ঠায় হয়নি।
বিল পয়েন্ট কে ই-বে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ প্রদান বা অর্থ লেনদেন পদ্ধতি হিসেবে
“ই-বে পেমেন্টস” চালু করে। কিন্তু ই-বেতে নিলাম করার জন্য অর্থ আদান-প্রদান বা
অর্থ লেনদেন এ বিষয়টি সীমাবদ্ধ করে ফেলে। আর সেই সময় এই কারণেই অধিকাংশ নিলাম
পেপালের মাধ্যমে হয়ে যায় এবং পেপালের তালিকাভুক্ত হয়। তবে বিল পয়েন্ট কে
ব্যবহার না করেই পেপাল এই নিলাম গুলো করে। এমনকি ২০০২
সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে প্রতিদিন প্রায় পেপালের মাধ্যমে ২০০,০০০০
পরিমাণ অর্থ নিলাম হত। আর সেক্ষেত্রে বিল পয়েন্টের মাধ্যমে মাত্র ৪০০০ এই অল্প
পরিমাণ নিলাম হয়। এইজন্যই মূলত ২০০২ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যে প্রায় ১০ লক্ষ বা
এর চাইতে অনেক বেশি নিলাম পেপালের মাধ্যমে হয়ে থাকে। সাথে সাথে পেপাল তাদের
সমস্যা কাটিয়া ওঠে ২০১০ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর সে কারণে তারা প্রথম ডটকম কোম্পানি
হিসেবে আইপিও বাজারে নিয়ে আসে।
পেপাল একাউন্ট খুলতে/করতে কি কি লাগে?
পেপাল অ্যাকাউন্ট খুলতে বা পেপাল একাউন্ট সেট আপ করতে কিছু ডকুমেন্ট বা নথিপত্রের
প্রয়োজন হয়। পেপাল একাউন্ট খুলতে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি আলোচনা করা হলো।
আরো পড়ুনঃ ফেসবুক মনিটাইজেশন শর্ত - ফেসবুক থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় এবং
ফেসবুক থেকে কত টাকা আয় করা যায়?
১. SSN অথবা ITIN ডকুমেন্ট বা নথিপত্রের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রমাণ অন্তর্ভুক্ত
করাঃ
- আপনার সামাজিক নিরাপত্তা কার্ডের নম্বর প্রদান করতে হবে।
- SSN অথবা ITIN বরাদ্দকারী ব্যক্তির IRS থেকে চিঠি আসতে হবে।
- পেপালের নিয়োগ কর্তাদের দ্বারা জারি করা W2 নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পূরণ করতে হবে।
- 1099 ফর্ম পূরণ করতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে।
- সম্পূর্ণভাবে SSN সহ Paystub থাকতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে।
- তৃতীয় পক্ষের দ্বারা তৈরি ট্যাক্স ডকুমেন্টস বা নথিপত্র নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের সত্যায়িত বা স্বাক্ষর করা থাকতে হবে।
২. নিজের পরিচয় পত্রের প্রমাণ গুলোর গ্রহণযোগ্যতা থাকাঃ
- পেপাল একাউন্ট চালকের লাইসেন্স থাকতে হবে।
- পাসপোর্ট বা ইন্টারন্যাশনাল পরিচয় পত্র থাকতে হবে।
- সরকারি ইস্যু আইডি থাকতে হবে।
৩. নিজের ঠিকানার গ্রহণযোগ্যতা ও প্রমানের ডকুমেন্টস থাকাঃ
- পেপাল একাউন্ট তৈরি কারী ব্যক্তির ইউটিলিটি বিল গত ১২ মাসের পরিশোধ থাকতে হবে।
- সেল ফোন বা টেলিফোন বা ল্যান্ডলাইনের বিল বিগত বারো মাসের পরিশোধ থাকতে হবে।
- মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নথিপত্র থাকতে হবে সাথে সাথে বিগত ১২ মাসের বিল পরিশোধ থাকতে হবে।
- 401k অথবা ব্রোকারেজ স্টেটমেন্ট বিগত ১২ মাসের থাকতে হবে।
- PayPal account create / সহজে পেপাল একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম
আপনি যদি একটি ব্যক্তিগত পেপাল একাউন্ট তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে নিম্ন
উল্লেখিত তথ্যগুলো প্রদান করতে হবে।
- এনআইডি কার্ড অনুযায়ী আপনার নাম।
- এনআইডি কার্ড অনুযায়ী আপনার ঠিকানা।
- আপনার ব্যবহৃত ফোন নাম্বার।
- আপনার পার্সোনাল ই-মেইল এড্রেস।
- আপনার সামাজিক সুরক্ষা নম্বর।
আপনি যদি একটি ব্যবসায়িক পেপাল একাউন্ট তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে নিম্নে
উল্লেখিত তথ্যগুলো প্রদান করতে হবে।
- এলএলসি বা কর্পোরেশন পত্র।
- একটি কোম্পানির ব্যবহৃত ফোন নাম্বার।
- একটি কোম্পানির ব্যবহৃত ঠিকানা।
- একটি (EIN) ইআইএন নাম্বার।
- একটি সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর পত্র অথবা একটি স্বতন্ত্র করদাতার সনাক্তকরণ নম্বর পত্র।
PayPal একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম
পেপাল একাউন্ট তৈরি করার জন্যই প্রথমেই আপনাকে পেপালের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে
প্রবেশ করতে হবে। আপনাদের সুবিধার্থে আমরা পেপালের ওয়েবসাইটটি এখানে দিয়ে দিলাম
লিংকে(PayPal account create) ক্লিক
করলে সরাসরি আপনারা পেপালের মূল ওয়েবসাইটে খুব সহজে চলে যেতে পারবেন। পেপালের মূল
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর আপনারা সেখানে পেপাল অ্যাকাউন্ট তৈরি
করার জন্য দুইটি অপশন দেখতে পাবেন প্রথমটি হচ্ছে “Personal” আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে
“Business” যেহেতু বাংলাদেশ থেকে পার্সোনাল একাউন্ট খোলা যায় না এক্ষেত্রে
আপনাকে “Business” অপশন এ ক্লিক করে পেপাল বিজনেস বা ব্যবসায়িক একাউন্ট খুলতে
হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে চারটি ধাপে কিছু তথ্য প্রদান করতে হবে। সেগুলো
হলোঃ
- ১.Registration interface, “Business” অপশনে ক্লিক করার পর একটি রেজিস্ট্রেশন ইন্টারফেস ওপেন হবে এবং রেজিস্ট্রেশন কমপ্লিট করার জন্য আপনাকে একটি ফর্ম পূরণ করতে বলা হবে। সেখানে আপনি “Enter your Email address” এই অপশনটি দেখতে পাবেন। এক্ষেত্রে পেপাল একাউন্ট তৈরি করার জন্য আপনি আপনার ব্যবহৃত যেই ইমেইল এড্রেস টি ব্যবহার করতে চান সেটা সেখানে দিয়ে দিবেন। তবে একটা জিনিস লক্ষ্য রাখবেন যেই ইমেইলটি আপনি সেখানে দিবেন সেই ইমেইলে সব ধরনের এক্সেস ও নিরাপত্তা অবশ্যই নিশ্চিত করে নিতে হবে। এরপর সেখানে আপনাকে পাসওয়ার্ড দিতে বলবে। তখন আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী একটি শক্তিশালী password বসিয়ে দিবেন। পাসওয়ার্ডটি অবশ্যই শক্তিশালী দিতে হবে কারণ পেপাল হচ্ছে আপনার আন্তর্জাতিক মানের টাকা লেনদেনের অন্যতম একটি মাধ্যম। এজন্য হ্যাকাররা এখান থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য ওঁত পেতে বসে থাকে। এইজন্য পুরোপুরি নিরাপত্তা পাওয়ার জন্য সাইবার নিরাপত্তার অধীনে থাকা নিয়মগুলো অবশ্যই ফলো করবেন।
- ২.Business contact and details, পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর আপনি যে বিজনেস অ্যাকাউন্টটি তৈরি করছেন সে সম্পর্কে পেপাল কর্তৃপক্ষ কিছু তথ্য জানতে চাইবে। প্রথমত পেপাল কর্তৃপক্ষ “Business contact” সম্পর্কে তথ্য প্রদান করতে বলবে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড/ সার্টিফিকেট অনুযায়ী আপনার সঠিক নামটি বসিয়ে দিবেন। এক্ষেত্রে সেখানে আপনি “First Name ও Last Name” অপশন দেখতে পাবেন। তখন আপনার নামটি যদি দুই শব্দের হয়ে থাকে তাহলে প্রথম শব্দটি “First Name” অপশনে বসিয়ে দিবেন। আর দ্বিতীয় শব্দটি “Last Name” অপশনে বসিয়ে দিবেন। আর যদি আপনার নামটি এক শব্দ বিশিষ্ট হয় তাহলে অর্ধেক “First Name” বসিয়ে দিবেন। আর বাকি অর্ধেক “Last Name” অপশনে বসিয়ে দিবেন। এরপর আপনাকে সেখানে “Business Details” প্রদান করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার যদি অফলাইনে কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থাকে কিংবা অনলাইনে কোন ওয়েবসাইট অথবা অন্যান্য কোন ব্যবসায়িক প্লাটফর্ম থাকে তাহলে সে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নাম ব্যবহার করতে হবে। এরপর আপনার প্রদত্ত সেই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে দুই থেকে তিন লাইনের একটি বর্ণনা দিতে হবে। আর এটিই Business Details হিসেবে বিবেচিত হবে। আর আপনার যদি কোন অনলাইন বা অফলাইন কোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি আপনার নিজের স্বাভাবিক কর্মক্ষেত্র নিয়ে দুই থেকে তিন লাইনের একটি বর্ণনা দিয়ে Business Details হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ছবি এরপর বিজনেস ফোন নম্বর অপশনে আপনার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারটি নির্ভুলভাবে প্রদান করবেন। এক্ষেত্রে যেহেতু এটি পেপাল পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট নয় তাই এখানে ড্রপ আউট মেনু অপশনটি নেই। এজন্য পেপাল বিজনেস অ্যাকাউন্ট তৈরি করার জন্য বাংলাদেশ সহ আরো অন্যান্য দেশের নাম্বার এখানে ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রে আপনি এমন নাম্বার ব্যবহার করবেন যেটিতে আপনার পরিপূর্ণ অ্যাক্সেস রয়েছে। নাম্বারটি দেওয়ার সময় অবশ্যই আন্তর্জাতিক ফরমেটে অর্থাৎ +8801******** এইভাবে ব্যবহার করবেন। এরপর “Business Address” অপশনে ঠিকানা দেওয়ার জন্য দুইটি ব্ল্যাংক বা ফাঁকা লাইন দেওয়া থাকবে। সেখানে প্রথম লাইনে আপনার বাড়ি বা হোল্ডিং নাম্বার, রাস্তার নাম, গ্রামের নাম, ইউনিয়ন, ডাকঘর, থানা এই ধরনের তথ্যগুলো বসিয়ে দিবেন। এরপর দ্বিতীয় লাইনে আপনার জেলা শহরের নাম, দেশের নাম এই তথ্যগুলো নির্ভুলভাবে বসিয়ে দিবেন। এরপর “City” অপশনে আলাদাভাবে আপনার জেলা শহরের নাম বসিয়ে দিতে হবে। এরপর বাংলাদেশকে অপশন হিসেবে খুঁজে না পেলে অন্য একটি অপশন সিলেক্ট করে দেবেন। এরপর “পোস্টাল কোড” অপশনে আপনার এনআইডি কার্ডে প্রদত্ত পোস্টাল কোড অথবা আপনি বর্তমানে যেখানে বসবাস করছেন সেখানকার নিকটস্থ কোন পোস্টাল কোড নাম্বার বসিয়ে দিবেন। এই ধরনের যাবতীয় তথ্যগুলো নির্ভুলভাবে প্রদান করার পর পেপাল কর্তৃক “Terms and Conditions” মেনে নিয়েছেন কিনা এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে “Terms and Conditions” লেখা অপশনের বাম পাশে টিকমার্ক দিয়ে দিবেন। এরপর আপনার সময় সাপেক্ষে সেগুলো ভালোভাবে পড়ে নেবেন যাতে করে আপনার পেপার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার সময় কোন নিয়ম ভঙ্গ করছেন কিনা কিংবা পেপাল একাউন্ট রেস্ট্রিক বা ব্লক হয়ে যাচ্ছে কিনা তা সহজেই বুঝতে পারবেন।
- ৩.Describe your business, উপরোক্ত উল্লেখিত তথ্যগুলো নির্ভুলভাবে প্রদান করার পরে “Describe your business” অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করে “Business type” অপশনে “Individual” সিলেক্ট করে নিবেন। এরপর সার্ভিস কিওয়ার্ড বা প্রোডাক্ট নামক অপশনটিতে “Business Service” সিলেক্ট করে নিবেন। এরপর “What is your normal sale” লেখা অপশনের নিচে বক্সের ভিতরে “Minimum value” সিলেক্ট করে নিবেন। এক্ষেত্রে আপনি সবচেয়ে বেশি উপকৃত বা লাভবান হওয়ার জন্য সেলভ্যালু অপশনে ড্রপ ড্রাউন্ড লিস্টে থাকা সবথেকে কম অ্যামাউন্ট সিলেক্ট করে নিবেন। কারণ আপনি আপনার পেপাল একাউন্ট তৈরি করার সময় ইন্ডিভিজুয়াল বা ব্যক্তিগত বিজনেস টাইপ সিলেক্ট করেছেন। এরপর পেপাল কর্তৃপক্ষ আপনার বিজনেস বা ব্যবসাটি কবে শুরু হয়েছিল সে সম্পর্কে একটা তারিখ প্রদান করতে বলবে। এক্ষেত্রে আপনার যদি কোন বিজনেস বা ব্যবসা না থাকে তাহলে সেই অপশনে আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী যে কোন একটি তারিখ বসিয়ে দিলেই হবে। এরপর সেখানে ওয়েবসাইট দেওয়ার জন্য একটি অপশন থাকবে। এক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে বসিয়ে দিবেন আর না থাকলে সেটিকে অপশনাল হিসেবে ব্যবহার করবেন অর্থাৎ ফাঁকা রেখে দিলেও চলবে। এরপর “Submit” লেখা অপশনে ক্লিক করতে হবে।
- ৪.Tell us more about you, সব তথ্যগুলো নির্ভুলভাবে সাবমিট করা হয়ে গেলে “Tell us more about you” নামে একটি অপশন ফরম দেখতে পাবেন। সেখানে পেপাল কর্তৃপক্ষ আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো জানতে চাইবে। সবার প্রথমে আপনার ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী আপনার সঠিক জন্ম তারিখ বসিয়ে দিবেন। এরপরে “What is your occupation” লেখা অপশনে ক্লিক করে “Business” লেখাটি সিলেক্ট করে নিবেন। আপনি চাইলে আপনার চাহিদা অনুযায়ী অন্য কোন অপশনও সিলেক্ট করতে পারেন। এরপর পেপাল কর্তৃপক্ষ আপনাকে হোম এড্রেস এর তথ্য দিতে বলবে। সেখানে আপনি “Same as Business” অপশনটি সিলেক্ট করে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার হোম এড্রেস হিসেবে আপনার পছন্দমত ঠিকানাও দিতে পারেন। এইসব তথ্যগুলো নির্ভুলভাবে পূরণ করার পরেই আপনার পেপাল বিজনেস অ্যাকাউন্টটি সফলভাবে তৈরি হবে। এরপরেই আপনি পেপাল একাউন্টের ড্যাশবোর্ডটিতে আপনার ব্যালেন্স, টাকা পাঠানোর অপশন, একাউন্টে টাকা যোগ করার অপশন, ইত্যাদি প্রয়োজনীয় সবকিছু দেখতে পাবেন।
পেপাল বাংলাদেশে কবে আসবে?
২০২১ সালের ২৩ শে অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বেসরকারি বিনিয়োগ
উপদেষ্টা গাজীপুরের কোন এক প্রোগ্রামে এসে জানান শীঘ্রই ডিসেম্বর মাসে পেপাল
বাংলাদেশে আসছে। আর এরপরে ২০২১ সালের ১১ ডিসেম্বর ব্যাসিস আউটসোর্সিং
অ্যাওয়ার্ড ২০২১ সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ
আহমেদ পলক তিনিও জানান শীঘ্রই বাংলাদেশে পেপাল চালু হতে যাচ্ছে।
আর এই বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে অনেক হইচই পড়ে গেছিল যে, অবশেষে
বাংলাদেশে পেপাল চালু হতে যাচ্ছে। কিন্তু হতে পারে কোন কারণবশত এ বিষয়ে কোন
এগ্রিমেন্ট বা চুক্তি না হওয়ার কারণে বাংলাদেশে পেপাল চালু হয়নি।আর এই কারণেই
মূলত পেপাল বাংলাদেশে কবে চালু হবে কবে আসবে এ বিষয়টি এখনো ওনিশ্চয়তার মধ্যে
রয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কারভাবে এখন পর্যন্ত কেউ বলতে পারেনি যে,
বাংলাদেশে পেপাল কবে চালু হবে।এ বিষয়টি অনেক দিলে বা দেরি হচ্ছে কিন্তু কবে
নাগাদ পেপাল বাংলাদেশে চালু হবে এ বিষয়টি এখনো অজানা। বর্তমান সময়ে যারা
আউটসোর্সিং করে Freelancer.com, Fiber.com, up work.com এই প্রতিটা
মার্কেটপ্লেসে কাজ করার পর পেমেন্ট নেওয়ার জন্য একটা পেমেন্ট ওয়ে বা পদ্ধতি
আছে। যেটার মাধ্যমে আপনি আপনার উপার্জিত টাকা পেমেন্ট নিতে পারবেন।
এক্ষেত্রে আমরা যারা বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার রয়েছি তারা ব্যাংক ট্রান্সফার
করে থাকে কিংবা পাইওনিয়ারের মাধ্যমে উপরোক্ত মার্কেটপ্লেস থেকে উপার্জিত টাকা
গুলো ব্যাংকে নিয়ে আসি। আর এছাড়াও আমরা যদি উপরোক্ত মার্কেটপ্লেস গুলো ছাড়াও
বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করে নিজের একটা আইডেন্টিটি বা পরিচিতি গড়ে
তুলতে চাই একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসাবে।
অনেকেই চাই উপরোক্ত মার্কেটপ্লেস গুলো ছাড়াও আরো অন্যান্য সব মার্কেটপ্লেসে
ইনকাম করতে। কিন্তু এক্ষেত্রে যে বিষয়টি লক্ষ্য করা যায় আপনার ইনকামের ২০%
কেটে নিবে। আবার আপনার যে পেমেন্টটা পাবেন সেটা আসতে অনেক দেরি হবে। এমনকি ১৪
থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। এই সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পাওয়ার
জন্য বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা মূলত পেপাল কে খুব করে চাচ্ছিল।
বিশেষ করে পেপাল যদি বাংলাদেশে চালু হত সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা
অনেক ধরনের এবং বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করার সুযোগ পেতো।কারণ উপরোক্ত
মার্কেটপ্লেস গুলো ছাড়াও আরো অন্যান্য যে মার্কেটপ্লেসগুলো রয়েছে সেখান থেকে
আপনার উপার্জিত টাকা উত্তোলন করতে গেলে পেপাল এর কোন বিকল্প নেই। আর পেপাল
একাউন্ট বাংলাদেশ থেকে চালু না হওয়ার কারণে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সাররা অনেক
ধরনের কাজ করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কারণ দেখা যায় যে উপরোক্ত মার্কেটপ্লেস গুলো
ছাড়া আর অন্যান্য যে মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করার পর সেখান থেকে পেমেন্ট
পাওয়ার জন্য।
বাংলাদেশে PayPal পুরোপুরিভাবে না আসার কারন কি?
PayPal বাংলাদেশে না আসার মূল কারন হচ্ছে বাংলাদেশের আইন। অধিকাংশ মানুষই মনে
করে যে, PayPal ইচ্ছে করেই বাংলাদেশে আসে না, এটা একটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে বিশ্বের সকল দেশ থেকে টাকা আনা যাবে কিন্তু
অন্য কোন দেশের টাকা সরাসরি পাঠানো যাবে না, কারন এখনও বাংলাদেশ খুব একটা উন্নত
দেশ নয়। যার ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এটা অনেক বড় প্রভাব ফেলবে।
এই জন্য PayPal এর নিয়ম অনুযায়ী PayPal ব্যবহার করে যে কেউই যে কোনো দেশ থেকে
টাকা আদান-প্রদান করতে পারবে। এই কারণেই মূলত PayPal বাংলাদেশে আসতে পারে না।
তাই কয়েক বছর আগে PayPal বাংলাদেশে তাদের একটি সার্ভিস চালু করে। যার নাম হচ্ছে
XOOM (জুম)। এটি ব্যবহার করে বাংলাদেশে অন্যদেশ থেকে টাকা আনা যায়, যদিও এটি
ব্যবহার করার ক্ষেএে খরচ হিসেবে অনেক বেশি টাকা কাটে PayPal কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে যতবেশি দিন যাচ্ছে তত তাড়াতাড়ি বাংলাদেশ আইনটির পরিবর্তন হওয়ার
সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। কারন বাংলাদেশেও অনেকেই এখন অনলাইনে অনেক কাজের সাথে
যুক্ত হচ্ছে, যেমন ফিল্যান্সিং সহ আরো অন্যান্য সব ধরনের সেক্টরে। অনলাইনের কাজ
গুলোর বিভিন্ন পেমেন্ট আনতে PayPal এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। PayPal বাংলাদেশে না
থাকায় অনেক কষ্ট করে টাকা গুলো বাংলাদেশে আনতে হয়, যার ফলে অনেক অর্থ নষ্ট
হচ্ছে।
PayPal কি বাংলাদেশে বৈধভাবে ব্যবহার করা যায়?
অনেক সময় অফলাইনে প্রায় একটি কথা লোক মুখে শোনা যায় আবার অথবা অনলাইনে পেপাল
সম্পর্কে সার্চ করলে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলেই দেখা যায় যে, বাংলাদেশে
নাকি বৈধপন্থায় পেপাল একাউন্ট খোলাও যায় না আবার ব্যবহার করাও যায় না আবার
অনেকেই বলে থাকেন এটি বাংলাদেশে অবৈধ একটি পন্থা। এ বিষয়টি বলার কারণ হচ্ছে
অনেকেই যারা পেপালের ওয়েবসাইটে
কখনো কখনো ঢুকে দেখেছেন তারা হয়তো সেখানে একটি বিষয় লক্ষ্য করেছেন যে, পেপাল
অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে গেলে সেখানে দুইটি অপশন দেখা যায় একটি হচ্ছে পার্সোনাল
অ্যাকাউন্ট এবং অন্যটি হচ্ছে বিজনেস বা ব্যবসায়িক একাউন্ট। পেপালের ওয়েবসাইটে
পার্সোনাল একাউন্ট খোলার সময় অনেক সময় বাংলাদেশ নামে অপশনটি খুঁজেই পাওয়া
যায় না। এইজন্য অনেকে মনে করেন যে এটি বাংলাদেশে বৈধ না।
কারণ বৈধ হলে সেখানে বাংলাদেশের অপশনটি অবশ্যই থাকতো। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে পেপাল
পার্সোনাল একাউন্ট খোলার সময় ভেরিফিকেশন সহ আপনার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটি
আবশ্যিকভাবে ব্যবহার করতে হয়। আর এক্ষেত্রে পেপালের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের ফোন
নাম্বার গুলো সাপোর্ট করে না।
কিন্তু পেপাল বিজনেস বা ব্যবসায়িক একাউন্ট খোলার সময় আবশ্যকীয়ভাবে আপনার
ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারের বিষয়টি তেমন গুরুত্ব পায় না। এজন্যই মূলত বাংলাদেশ
থেকেওবৈধভাবে পেপালের বিজনেস বা ব্যবসায়িক একাউন্ট তৈরি করা যায়। শুধুমাত্র
অ্যাকাউন্ট তৈরি করার সময় “Business” অপশনটি সিলেক্ট করে বাংলাদেশ থেকে
বৈধভাবে পেপাল একাউন্ট তৈরি করা যায়।
বাংলাদেশে কিভাবে PayPal account খুলবো?-বাংলাদেশে PayPal account করা যায় কি?
বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মত বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ হিসেবে আউটসোর্সিং এর জগতে
সারা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ বর্তমানে এই
আউটসোর্সিং এর বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন
করছে। আর এই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করার পর সেগুলো নিজের একাউন্টে পেমেন্ট
নেওয়ার জন্য অনেকেই বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক ডলার এক্সচেঞ্জ একাউন্ট গুলোর
মাধ্যমে পেমেন্ট নিয়ে থাকে।
এগুলোর মধ্যে পেপাল অন্যতম ও অনেক জনপ্রিয় ডলার এক্সচেঞ্জ করে আউটসোর্সিং কারী
ব্যক্তির একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার জন্য। অনেকেই আবার পেপাল ছাড়াও আরো
অন্যান্য মাধ্যম অবলম্বন করে থাকে। তাই আপনি যদি বাংলাদেশে পেপাল একাউন্ট খোলার
নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আপনার জন্য একটি দুঃসংবাদ রয়েছে। আর সেটি হলো
বাংলাদেশ সরাসরি ভাবে পেপাল একাউন্ট ব্যবহার করা বৈধ নয়।
আরো পড়ুনঃ ফেসবুক আইডি হ্যাক থেকে বাঁচার উপায় কি?
এইজন্য বাংলাদেশে পেপাল একাউন্ট তৈরি করার জন্য কোন নিয়ম নীতি ও নির্ধারিত
হয়নি। তাই বলেছে বাংলাদেশে পেপাল একাউন্ট ব্যবহার করা যাবে না বিষয়টি এমন
নয়। তাই আপনি যদি বাংলাদেশে পেপাল একাউন্ট থেকে আপনার আউটসোর্সিং এর উপার্জিত
টাকা উত্তোলন করতে চান তাহলে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। আর পেপাল একাউন্ট
তৈরির জন্য আপনার কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য থাকা লাগবে। এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত
জেনে নিন। বাংলাদেশে পেপাল একাউন্ট তৈরির জন্য আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো
লাগবে। সেগুলো হলোঃ
- আপনার নিজস্ব একটি পাসপোর্ট থাকতে হবে।
- আর সেই পাসপোর্টের মেয়াদ থাকা লাগবে।
- যে সমস্ত ব্যাংক ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দিয়ে থাকে তাদের সাথে যেকোন ভাবে যোগাযোগ করতে হবে।
- তাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা আপনাকে আপনার আউটসোর্সিং এর টাকা উত্তোলনের জন্য PayPal একাউন্ট তৈরি করতে সহায়তা করবে।
- পেপাল আকাউন্ট খোলার জন্য যে কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ইলেকট্রিক ডেবিট কার্ড অথবা ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন পড়বে।
একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন যে, বাংলাদেশ থেকে পেপাল একাউন্ট সরাসরি ভাবে খোলা না
গেলেও আলাদা আলাদা উপায়ে বাংলাদেশে পেপাল একাউন্ট খুলে ব্যবহার করা যায়। সাথে
সাথে এ বিষয়টিও খেয়াল রাখবেন যে, পেপাল একাউন্ট সরাসরি ভাবে বাংলাদেশের
ক্ষেত্রে অবৈধ। এক্ষেত্রে আপনি আপনার আইডেন্টিটি বা পরিচিতি অন্যান্য দেশের করে
নিয়ে পেপাল একাউন্ট খুব সহজেই খুলতে পারবেন।
PayPal বিজিনেস একাউন্ট ভেরিফাই করার নিয়ম
আপনার ব্যবহৃত পেপাল বিজনেস একাউন্টটি ভেরিফাই করা অতীব জরুরী। কারণ এখানে আপনি
আপনার অর্থ গুলো আন্তর্জাতিকভাবে লেনদেন করবেন। তাই এটি সুরক্ষার জন্য ভেরিফাই
অবশ্যই করে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনার পেপাল বিজনেস একাউন্টটি ব্যবহার করতে
হলে ভেরিফিকেশন প্রসেসের মাধ্যমে ব্যবহার করতে হবে। এতে করে কেউ যেন ভুয়া কোন
তথ্য দিয়ে অথবা ফেক কোন প্রোফাইল ব্যবহার করে কোনরকম স্ক্যাম বা অপরাধে জড়াতে
না পারে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক PayPal বিজিনেস একাউন্ট ভেরিফাই করার নিয়ম
সম্পর্কে।
- প্রথমত আপনাকে আপনার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারটি দিয়ে ভেরিফিকেশন করে নিতে হবে। এরপর টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন অপশনটি সেটআপ করে নিতে হবে। তাহলে প্রতিবার আপনার একাউন্টে লগইন করার সময় পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পাশাপাশি ওটিপি বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে আপনার অ্যাকাউন্টটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক শক্তিশালী হবে এতে করে আপনার ব্যবহৃত পেপাল একাউন্টটি অনেক নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকবে। এরপর আপনার ভোটার আইডি কার্ড, পাসপোর্ট, জন্ম সনদ, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি এই ধরনের যেকোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টসের ছবি আপলোড করার মাধ্যমে আপনার পেপাল অ্যাকাউন্টটি ভেরিফিকেশন করে নিতে হবে।
- এছাড়াও পেপাল কর্তৃপক্ষ আপনি সঠিক ব্যক্তি কিনা সেই জন্য আপনার সম্পর্কে আরো অনেক জানতে চাইবে। তখন আপনি সেই তথ্যগুলো সঠিকভাবে পূরণ করে নিবেন। আপনার ইচ্ছা হলে আপনি আপনার ডেবিট কার্ড অথবা ক্রেডিট কার্ড এই পেপাল একাউন্টের সাথে যুক্ত করে নিতে পারেন। তাহলে আপনি খুব সহজেই কার্ড থেকে পেপাল আবার পেপাল থেকে কার্ডে লেনদেন করতে পারবেন। এবং আরো সুবিধা পেতে আপনি চাইলে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টটিও আপনার পেপাল একাউন্টে যুক্ত করতে পারেন।
- ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করার ক্ষেত্রে আপনার ব্যাংক একাউন্টটি অবশ্যই বিজনেস অ্যাকাউন্ট হলে অনেক ভালো হবে। আপনি চাইলে ইসলামী ব্যাংক ব্যবহার করে ইসলামী ব্যাংকের সেলফি মোবাইল অ্যাপ থেকে ঘরে বসেই একাউন্টের মাধ্যমে যাবতীয় লেনদেন করতে পারবেন অথবা আপনি চাইলে ডেভিড অথবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও সকল কাজ পরিচালনা করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি খুব সহজেই আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি দিয়ে সেল্ফিন অ্যাপ ব্যবহার করে ইসলামী ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট খুব সহজেই তৈরি করতে পারেন।
- পেপাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত কোন তথ্য কিংবা ব্যাংক একাউন্টের কোন তথ্য কোনোটিই ভুলভাবে প্রদান করবেন না। কারণ বর্তমান সময়ে যে কাউকেই খুব সহজেই ভেরিফাই করা যায়। এইজন্য পেপাল একাউন্ট তৈরির ক্ষেত্রে আপনার দেওয়া ভুল তথ্য গুলোই আপনার পেপাল বিজনেস অ্যাকাউন্টটি রেস্ট্রিকশন বা ব্লক হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।
- আপনার দেওয়া ভুল তথ্য গুলোর কারণে কোন এক সময় আপনার পেপাল একাউন্টে জমাকৃত অর্থ গুলো একেবারে হারিয়ে যাওয়ার নতুন কারণ হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে একটি স্মরণীয় বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে পেপাল বিজনেস একাউন্ট তৈরি করলে রেস্ট্রিক্ট বা ব্যান করা হয় না। এইজন্য বাংলাদেশ থেকে পেপাল বিজনেস অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হলে সব সময়ের জন্যই আপনি আপনার সঠিক তথ্য গুলো প্রদান করবেন। এতে করে আপনার একাউন্টের কোনরকম ঝুঁকি থাকবে না। সাথে সাথে আপনার অ্যাকাউন্টটিও সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকবে।
পেপাল থেকে বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার পদ্ধতি
আপনার পেপাল একাউন্টের ডলারগুলো খুব সহজেই আপনার বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক
একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার জন্য এই
(DOLLAREX) লিংকটিতে ক্লিক করে গুগল
ক্রোম ব্রাউজার এর মাধ্যমে ওপেন করতে হবে। ওপেন করার পর উপরেই দেখতে পাবেন “Log
in” এবং “Create account” নামে পাশাপাশি দুইটি অপশন থাকবে।আপনার যদি একাউন্ট
থাকে তাহলে “Log in” অপশনে ক্লিক করবেন
আর যদি এই সাইটে আপনার অ্যাকাউন্ট না থাকে তাহলে “Create account” অপশনে ক্লিক
করবেন। “Create account” অপশনে ক্লিক করার পর “Create account free” নামে একটি
ফরম ওপেন হবে। সেখানে “Username” অপশনে সার্টিফিকেট বা ভোটার আইডি কার্ড
অনুযায়ী আপনার নাম বসিয়ে দিবেন। এরপর “Email address” অপশনে আপনার একটি
সক্রিয় ইমেইল এড্রেসটি বসিয়ে দিবেন।
রপর “Password” অপশনে আপনার পছন্দ অনুযায়ী একটি শক্তিশালী পাস ওয়ার্ড বসিয়ে
দিবেন। এরপর “re-type Password” অপশনে যে পাসওয়ার্ডটি প্রথমে বসিয়েছিলেন সেই
পাসওয়ার্ডটি আবার সেখানে বসিয়ে দিবেন। এরপর নিচে থাকা “Register” অপশনে ক্লিক
করলে আপনার অ্যাকাউন্টটি সফল ভাবে তৈরি হয়ে যাবে। এরপর এখানে প্রবেশ করে উপরে
থাকা থ্রি ডট লাইনে ক্লিক করে
“Exchange” একটি ইন্টারফেস ওপেন হবে সেখানে চ্যাট করার একটি লোগো দেখতে পাবেন
সেখানে ক্লিক করে আপনার নাম, আপনার ব্যবহৃত ফোন নাম্বার এবং আপনি যে বিষয়ে কথা
বলতে চান সেটি মেসেজে অপশনে লিখে “আলাপ করুন” লেখা অপশনে ক্লিক করে দিবেন।
তাহলে তারা খুব দ্রুতই আপনার সাথে লাইভ চ্যাটে জয়েন হয়ে যাবে। এরপর আপনি
তাদের সাথে ট্রানজেকশন বিষয়ে কথা বলে নিবেন যে,
আপনি কিভাবে ট্রানজেকশন করবেন কোন নাম্বার থেকে ট্রানজেকশন করবেন কোন একাউন্টে
প্রেমেন্ট নিবেন সে বিষয়গুলো বলে নিবেন। কত ডলার ট্রানজেকশন করবেন আপনি কিসে
তাদেরকে টাকা পাঠাবেন এবং আপনি কিসে পেমেন্ট নিবেন এ বিষয়গুলো বলে নিতে হবে।
এক্ষেত্রে ট্রানজেকশন খুব দ্রুত হয়ে থাকে এবং পেমেন্ট খুব দ্রুত পাওয়া যায়।
এই সমস্ত আলাপ-আলোচনা করা হয়ে গেলে
আপনি ব্যাক করে সেই ওয়েবসাইটের হোমে চলে আসবেন। সেখানে “Send” (আপনি পাঠাবেন)
লেখা অপশনে ক্লিক করে “PayPal USD” লেখা অপশনটি সিলেক্ট করে নিবেন। এরপর এর
নিচে থাকা বক্সে ১০ ডলারের উপরে আপনি যত ডলার এক্সচেঞ্জ করতে চান সেটা উল্লেখ
করে দিবেন।এরপর “Receive” (আপনি পাবেন) লেখা অপশনে “Bikash Personal
BDT”/”Nagad Personal BDT”/Rocket Personal BDT”/ Bank account লেখা অপশনটি
সিলেক্ট করে নিবেন।
নিচে থাকা “Exchange” অপশনে ক্লিক করে দিবেন। এরপর আপনার সামনে “Additional
information” নামে একটি ইন্টারফেস ওপেন হবে। সেখানে থাকা প্রথম অপশনে আপনার
পেপাল অ্যাকাউন্টে ব্যবহৃত ইমেইল এড্রেসটি বসিয়ে দিবেন এবং পরের অপশনে বিকাশে
পেমেন্ট নিলে আপনার বিকাশ নাম্বারটি/ নগদে পেমেন্ট নিলে আপনার নগদ নাম্বারটি/
রকেটে পেমেন্ট নিলে আপনার রকেট নাম্বারটি/
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার বসিয়ে দিবেন। এরপর “Process Exchange” ক্লিক করলেই
আপনার প্রদত্ত যাবতীয় ইনফরমেশন বা তথ্যগুলো ওপেন হয়ে আসবে। সেখানে আপনার
প্রদত্ত ইনফরমেশন বা তথ্যগুলো সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নিচে থাকা “Confirm order”
লেখা অপশন এ ক্লিক করে দিবেন। এরপর নিচে থাকা সেট অপশনে ক্লিক করে তাদের পেপাল
ইমেইল এড্রেসটি আপনি নিয়ে নিবেন।
আরো পড়ুনঃ স্মার্ট আইডি কার্ড সংশোধন কিভাবে করবেন?
এরপর আপনি আর সরাসরি আপনার পেপাল একাউন্টে চলে যাবেন। এরপর উপরে থাকা থ্রি ডট
মেনুতে ক্লিক করে দিবেন সেখানে “Go to money page” ও “Send a request money”
দুইটি অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে “Send a request money” অপশনে ক্লিক করলে “Send
money” নামে একটা ইন্টারফেস ওপেন হবে সেখানে Name or Email address লেখা থাকবে
সেখানে তাদের পেপাল ইমেল
এড্রেসটি বসিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে একটা ইন্টারফেস ওপেন হবে। সেখানে “You Send”
অপশনের নিচে ক্লিক করে USD সিলেক্ট করে নিবেন। এই অপশনটি ক্লিক করার সাথে সাথে
আপনি কত ডলার পাঠাবেন সেটা বসানোর জন্য একটি অপশন চলে আসবে।সেখানে আপনার
অ্যামাউন্ট বসানোর সাথে সাথে “Continue” নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন সেখানে
ক্লিক করতে হবে। এরপর কনফার্মেশন
হিসাবে কোন ভেরিফিকেশন কোড বা আপনার পেপাল একাউন্টের পাসওয়ার্ড বা আপনার ইমেইল
এড্রেসটি চাইতে পারে সেটি দিয়ে কনফার্ম করার সাথে সাথে তাদের কাছে আপনার
পাঠানো এমাউন্ট চলে যাবে। ক্রোম ভাউচারে ওপেন করা DOLLAREX এই সাইটে চলে আসবেন
এবং একটি বিষয় খেয়াল রাখবেন আপনার পেপাল একাউন্টে প্রবেশ করার পূর্বে এ
সাইটটি মিনিমাইজ করে রাখবেন যাতে করে সহজেই এই পেজটি খুঁজে পান। এরপর একটু
স্ক্রল করে নিচে যাওয়ার পরে “ইন্টার
ট্রান্সজেকশন নাম্বার/ব্যাচ” নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন সেখানে আপনার পেপাল
একাউন্টে ব্যবহৃত ইমেইল এড্রেসটি বসিয়ে দিবেন। এরপর “কনফার্ম ট্রানজেকশন” অপশন
এ ক্লিক করে দিবেন। এরপর আপনি চাইলে তাদের সাথে চ্যাট অপশনে ক্লিক করে অথবা whats app অপশন এ ক্লিক করে জানিয়ে দিতে পারেন যে আপনি কোন নাম্বার থেকে টাকা
পাঠিয়েছেন কত টাকা পাঠিয়েছেন এবং কোন নাম্বারে টাকা পেতে চান তাহলে খুব
দ্রুতই আপনি পেমেন্ট পেয়ে যাবেন।
লেখকের ইতি কথাঃ PayPal একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম - পেপাল থেকে বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার পদ্ধতি
সম্মানিত পাঠক, আশা করি উপরুক্ত আলোচনা গুলো থেকে আপনি PayPal একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম - পেপাল থেকে বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক
একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার পদ্ধতি এই বিষয়ে সম্পর্কে পুরোপুরি বিস্তারিতভাবে
জানতে পেরেছেন। উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো ভালোভাবে পড়ে জেনে নিলে আপনি খুব
সহজেই PayPal একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম - পেপাল থেকে
বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার
পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনার উপার্জিত আউটসোর্সিং এর ডলারগুলো খুব
সহজেই ঘরে বসেই আপনি আপনার বিকাশ, নগদ, রকেট কিংবা ব্যাংক একাউন্টে নিয়ে আসতে
পারবেন। কিন্তু অনেকেই এই বিষয়গুলো না জানার কারণে অন্যের কাছ থেকে পেমেন্ট
নেওয়ার সময় প্রতারিত হয়ে থাকে। তাই আপনি যদি খুব সহজেই ডলার পেমেন্ট নিতে
চান তাহলে এই আর্টিকেলটি পড়া আবশ্যক।
প্রিয় পাঠক, এতক্ষণ আমাদের সাথে থেকে এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মনোযোগের সাথে
পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে এই ধরনের তথ্যবহুল
আর্টিকেল নিয়মিত পোস্ট করে থাকি। তাই আপনি যদি এ ধরনের আরও তথ্যবহুল উপকারী
পোস্ট পড়তে চান, তাহলে এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ফলো করুন। সাথে সাথে এই
আর্টিকেলটি পড়ে ভালো লাগলে আপনার নিকট আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব ও
পরিবার-পরিজনদের কাছে তাদের উপকারার্থে শেয়ার করে দিন। যেন তারা PayPal একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম - পেপাল থেকে
বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার পদ্ধতি
এই বিষয়ে সম্পর্কে পুরোপুরি ভালোভাবে জেনে নিতে পারে। PayPal একাউন্ট তৈরি করার নিয়ম - পেপাল থেকে বিকাশ/নগদ/রকেট/ব্যাংক
একাউন্টে পেমেন্ট নেওয়ার পদ্ধতি এ বিষয়ে সম্পর্কে আপনার যদি কোন গুরুত্বপূর্ণ
মতামত বা প্রশ্ন থাকে, তাহলে অবশ্যই নিচে দেওয়া মতামত বক্সে কমেন্ট করতে
ভুলবেন না। আবার আপনাদের সাথে কথা হবে নতুন কোন আর্টিকেল নিয়ে ততক্ষণ পর্যন্ত
নিরাপদ ও সুস্থ থাকুন।
কনফিডেন্স আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url